1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ইসলামে পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্ব

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর দিকনির্দেশনা রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো পরিবার।

বর্তমান যুগে আধুনিকতা ও ব্যস্ততার ভিড়ে আমাদের পারিবারিক বন্ধনগুলো শিথিল হয়ে পড়ছে।

একটি শক্তিশালী ও সুন্দর পরিবারই পারে একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এরশাদ করেন,

 

وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا আর তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সাথে কাউকে শরিক করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। (সুরা নিসা: ৩৬)

 
ইসলামি শরিয়তে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা ওয়াজিব বা আবশ্যিক। হাদিস শরিফে এসেছে, যে ব্যক্তি তার রিজিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখে। রাসুলুল্লাহ সা. এরশাদ করেছেন,
 

 مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ فِي رِزْقِهِ وَيُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে তার রিজিক বৃদ্ধি হোক এবং তার হায়াত দীর্ঘ হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে। (সহিহ বুখারি)

 

বর্তমান যুগে আধুনিকতা ও ব্যস্ততার ভিড়ে আমাদের পারিবারিক বন্ধনগুলো শিথিল হয়ে পড়ছে। অথচ ইসলাম শিখিয়েছে বড়দের সম্মান করা এবং ছোটদের স্নেহ করা। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক হক বা অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকাই হলো ইমানি দায়িত্ব।  
 
পারিবারিক এই সুসম্পর্ক চর্চার সবচেয়ে বড় সুযোগ নিয়ে আসে বরকতময় রমজান মাস। রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও পারস্পরিক হৃদ্যতা বৃদ্ধির মাস। সারাদিন সিয়াম সাধনার পর পরিবারের সবাই যখন একসাথে ইফতারের দস্তরখানে বসে, তখন এক স্বর্গীয় আমেজ তৈরি হয়। ইফতারের পূর্বমুহূর্তে পরিবারের ছোট-বড় সবার একত্র হওয়া এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা পারস্পরিক মহব্বত বাড়িয়ে দেয়।
 
 
রমজানে সেহরি ও ইফতারের মিলনমেলা আমাদের শেখায় কীভাবে একে অপরের সুখে-দুখে পাশে দাঁড়াতে হয়। বিশেষ করে এই মাসে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের ইফতার করানো বা তাদের খোঁজখবর নেওয়া সুন্নাত। রমজানের এই শিক্ষা যদি আমরা সারা বছর আমাদের পরিবারে ধরে রাখতে পারি, তবে কোনো পরিবারেই অশান্তি থাকবে না। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত পরিবারের প্রতিটি সদস্যের প্রতি ধৈর্যশীল হওয়া এবং তুচ্ছ কারণে সম্পর্ক নষ্ট না করা।
 
আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারীর ব্যাপারে ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। রাসুল সা. এরশাদ করেছেন,  لا يَدْخُلُ الجَنَّةَ قاطِعُ رَحِمٍ আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
 
তাই মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা ইবাদতের অংশ। বিশেষ করে মা-বাবার অবাধ্য হওয়া কবিরা গুনাহ। তাদের সেবা করা এবং তাদের সাথে নরম ভাষায় কথা বলা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা।
 
পরিশেষে বলা যায়, পারিবারিক শান্তিই হলো দুনিয়ার জান্নাত। ইসলামের সুমহান আদর্শ মেনে চললে এবং রমজানের ত্যাগের মহিমা থেকে শিক্ষা নিয়ে একে অপরকে ক্ষমা করতে শিখলে আমাদের পরিবারগুলো হয়ে উঠবে আনন্দময়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন। 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ