1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত দিরাইয়ে দুই গ্রামে ‍সংঘর্ষে দুইজন নিহত, আহত ৪০

কামরাঙ্গীরচরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১৭ বছর পর চারজনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫১ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রোববার এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন-শহিদুল ইসলাম (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৫), নিজাম (২৪) এবং মনির হোসেন ওরফে সেন্টু (২৬)।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) সাজার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”

আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ট্রাইব্যুনাল। অপর তিন আসামি আদালতে হাজির ছিল। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড় ৬ টার দিকে ওই তরুণী তার বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদে ময়দার মিলের পাশে নৌকা ঘাটে বেড়িবাঁধে বেড়াতে বের হয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তার বান্ধবী তাকে রেখে বাসায় চলে যায়। বান্ধবী চলে যাওয়ার পর পৌনে ৭ টার দিকে আসামিরা জোর পূর্বক প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তাকে একটি নৌকায় উঠিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে মাঝিকে নদীর মধ্যে ফেলে দেয়। নৌকার মধ্যে আসামিরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ করার পর আসামিরা তাকে একটি বাড়িতে রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ করে রাখে।

সংবাদ পেয়ে তার বাবা-মা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেন। পরে তিনি নিজে থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম শিকদার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে আজ রায় এল।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ