1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব, দলিল লেখক হান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রিহানার বাড়িতে ১০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, গ্রেফতার ১ নাব্যতা সংকটে হুমকিতে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ যোগাযোগ! ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ৩৭৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবার চূড়ান্ত দেশ থেকে মব বিলুপ্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ সরকারি দলের সংসদীয় সভা ১১ মার্চ ছাত্রলীগ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, অভিযোগ ছাত্রশক্তির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, অভিযোগ ছাত্রশক্তির বিরুদ্ধে নারীকে মূলধারার বাইরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয়: রাষ্ট্রপতি

সারোগেসি পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদান কি জায়েজ?

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৮৪ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

প্রশ্ন : সারোগেসি পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদান কি জায়েজ?

উত্তর : সারোগেসি এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সন্তান জন্মদানের জন্য গর্ভ ভাড়া নেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে একজন নারী তার নিজের গর্ভে অন্যের সন্তান বড় করেন ও জন্ম দেন। গর্ভধারণের কাজটি যে নারী করেন তাকে ‘সারোগেট মাদার’ বা ‘সারোগেট মা’ বলা হয়।

আল্লাহতায়ালা জৈবিক চাহিদা পূরণ ও সন্তান গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি বলে দিয়েছেন-‘তিনিই তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন ও তার থেকে তার স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে সে তার কাছে শান্তি পায়। তারপর যখন সে তার সঙ্গে সংগত হয় তখন সে এক হালকা গর্ভধারণ করে এবং এটা নিয়ে সে অনায়াসে চলাফেরা করে। অতঃপর গর্ভ যখন ভারী হয়ে আসে, তখন তারা উভয়ে তাদের রব আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যদি আপনি আমাদের এক পূর্ণাঙ্গ সন্তান দান করেন, তাহলে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।’ (সূরা আরাফ : ১৮৯)। অন্য আয়াতে এসেছে, ‘আর যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে রাখে সংরক্ষিত, নিজেদের স্ত্রী বা অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া, এতে তারা হবে না নিন্দিত, অতঃপর কেউ এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করলে, তারাই হবে সীমা-লঙ্ঘনকারী’। (সূরা মুমিনুন ৫-৭)।

উল্লিখিত আয়াতে আল্লাহ, জৈবিক চাহিদা পূরণ ও বংশ বিস্তারের মাধ্যম হিসাবে বিশেষভাবে স্ত্রীকে চিহ্নিত করেছেন। এর বাইরে কারও মাধ্যমে এসব চাহিদা পূরণ নিষিদ্ধ। যদি কেউ এর বাইরে গিয়ে চাহিদা পূরণ করে, তবে সে কুরআনের ভাষ্যমতে সীমালঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

সারোগেস পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানের কারণে যেসব সমস্যা সৃষ্টি হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো-সারোগেস পদ্ধতির মাধ্যমে বংশ-পরিক্রমা বাধাগ্রস্ত হয় এবং পর পুরুষের বীর্য বা শুক্রাণু পরনারীর জরায়ুতে প্রবেশের মাধ্যমে ভ্যবিচারের মতো জঘন্য পাপ হয়। নবি কারিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং কিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তার জন্য নিজের পানি (বীর্য) দিয়ে অপরের ক্ষেত সেচ করা বৈধ নয়। (সুনানে আবু দাউদ, ১১৩১)। এ ছাড়া সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর মা আসলে কে হবেন, তা নিয়ে সৃষ্টি হয় জটিলতা। পবিত্র কুরআনের বিধান অনুযায়ী জন্মদাত্রী নারীই হন সন্তানের মা। আল্লাহ বলেন, ‘তাদের মা তো শুধু তারাই, যারা তাদের জন্ম দিয়েছে’। (সূরা : মুজাদালাহ : ২)।

বাস্তবতা হচ্ছে সারোগেট মা তার ভাড়া পাওয়ার পর সন্তানকে তার মালিকের কাছে হস্তান্তর করে ফেললে শিশুর মাতৃ পরিচয়টুকুও বিলুপ্ত হয়ে যায়। সন্তানের বৈধতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। ওলামায়ে কেরাম মনে করেন সারোগেসি বা গর্ভ-ভাড়ার মাধ্যমে সন্তান জন্মদান ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নাজায়েজ ও শরিয়তবিরোধী একটি কাজ। যা পরিত্যাগ করা মুসলিম নর-নারীর জন্য কর্তব্য।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ