1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বরিশাল অনির্বাণ স্কুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি এলাকাবাসীর

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক // বরিশাল নগরীর সাগরদী এলাকায় অবস্থিত অনির্বাণ স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এটি মূলত একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্কুল পরিচালনার আড়ালে বই-খাতা, কাগজ-কলম, স্কুল ড্রেস বিক্রি, শিশুদের চেয়ার, পিকনিক, ক্রীড়া অনুষ্ঠান ও বার্ষিকীর নামে অভিভাবকদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব কার্যক্রম শিক্ষার চেয়ে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। অভিভাবকদের আরও অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো কার্যকর কমিটি নেই। পূর্বে যাকে সভাপতি করা হয়েছিল, তিনি বড় অঙ্কের অর্থ অনুদান দিয়েছিলেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে নগরীর বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের অনুদান সংগ্রহ করা হয়। অথচ এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক কিংবা স্থানীয়দের যথাযথভাবে অবহিত করা হয় না। অভিযোগ অনুযায়ী, স্কুলের যাবতীয় সিদ্ধান্ত স্বামী-স্ত্রী মিলেই নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়া, বাধ্যতামূলক কোচিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, ঐতিহ্যবাহী ২৩ নম্বর ওয়ার্ড দরগাহ বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উত্তর সাগরদী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পেছনে এই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বড় ভূমিকা রয়েছে। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্কুলটিতে প্রায়ই উচ্চ শব্দে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালবেলা অভিভাবকদের যানবাহনে চলাচলের রাস্তা দখল হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, অনির্বাণ স্কুলের পরিচালক মাসুম বিল্লাহ নিজেকে কলাপাড়ার একটি মহিলা কলেজের শিক্ষক দাবি করলেও তিনি সেখানে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। বরং প্রতিদিন অনির্বাণ স্কুলে সরাসরি উপস্থিত থাকেন—যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এছাড়া প্রধান দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা দিলরুবা আক্তার ও তার স্বামী সম্পর্কেও দায়িত্ব পালনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষকতার আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন দৃশ্যমান। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন নেই। এখানে পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীদের অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সনদ নিতে হয়। এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। ফলে তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করেন, দুদক, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা অধিদপ্তর ও গণমাধ্যমের যৌথ সরেজমিন তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ