
নিজস্ব প্রতিবেদক // তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জবাবদিহিতা থাকলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার এমন পরিস্থিতিতে পড়ত না। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া শহরের করতোয়া কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজশাহী বিভাগের সাত জেলার সাংবাদিকদের আর্থিক অনুদান এবং সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণের জন্য অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। আধুনিক সভ্যতায় গণমাধ্যম ছাড়া সভ্যতার চর্চা সম্ভব নয়। গণতন্ত্র ছাড়া রাষ্ট্র ও সমাজ অন্ধকারে থাকে। রাষ্ট্রের সব কর্মকাণ্ড আয়নার মতো তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল করতে হলে এটিকে সময়োপযোগী করে ঢেলে সাজাতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য নেওয়া উদ্যোগগুলো কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা।
এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরও জানান, বগুড়াবাসীকে যে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেগুলো তালিকা করে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বগুড়া প্রেস ক্লাব পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণের দায়িত্ব তিনি মন্ত্রী হিসেবে নিয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারের বয়স এখনও এক মাস পূর্ণ হয়নি। অনেকের ভোটের কালির দাগ শুকায়নি। তবে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। কৃষক কার্ড বিতরণের কাজ চলছে। কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ ঘোষণা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছিরের (বাছির জামাল) সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কলম দিয়ে লড়াই করেছেন এবং বিজয়ী হয়েছেন। আমরা সাংবাদিকরা মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। তিনি বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবিও জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. তৌফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কালাম আজাদ, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) আতোয়ার রহমান, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গণেশ দাস।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ ছাড়া বাকি সাত জেলার ৫১ জন সাংবাদিককে আর্থিক অনুদান এবং ৪৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জবাবদিহিতা থাকলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার এমন পরিস্থিতিতে পড়ত না। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া শহরের করতোয়া কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজশাহী বিভাগের সাত জেলার সাংবাদিকদের আর্থিক অনুদান এবং সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণের জন্য অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। আধুনিক সভ্যতায় গণমাধ্যম ছাড়া সভ্যতার চর্চা সম্ভব নয়। গণতন্ত্র ছাড়া রাষ্ট্র ও সমাজ অন্ধকারে থাকে। রাষ্ট্রের সব কর্মকাণ্ড আয়নার মতো তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল করতে হলে এটিকে সময়োপযোগী করে ঢেলে সাজাতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য নেওয়া উদ্যোগগুলো কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা।
এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরও জানান, বগুড়াবাসীকে যে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেগুলো তালিকা করে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বগুড়া প্রেস ক্লাব পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণের দায়িত্ব তিনি মন্ত্রী হিসেবে নিয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারের বয়স এখনও এক মাস পূর্ণ হয়নি। অনেকের ভোটের কালির দাগ শুকায়নি। তবে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। কৃষক কার্ড বিতরণের কাজ চলছে। কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ ঘোষণা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছিরের (বাছির জামাল) সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কলম দিয়ে লড়াই করেছেন এবং বিজয়ী হয়েছেন। আমরা সাংবাদিকরা মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। তিনি বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবিও জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. তৌফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কালাম আজাদ, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) আতোয়ার রহমান, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গণেশ দাস।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ ছাড়া বাকি সাত জেলার ৫১ জন সাংবাদিককে আর্থিক অনুদান এবং ৪৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ।
Leave a Reply