1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮১ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক // মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের ভয়াবহ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানির বাজারে। সর্বশেষ মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের ১৮ জন সেনা নিহত হওয়ার পর এই উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সংকেত দিচ্ছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশই সরবরাহ হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাতের জেরে এই রুটটি এখন কার্যত অবরুদ্ধ। এর ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি সংকটের মুখে বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ চীন তাদের শোধনাগারগুলোয় কার্যক্রম কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে। সৌদি আরামকোর সরবরাহ সমর্থিত চীনের অন্যতম বৃহৎ শোধনাগার ঝেজিয়াং পেট্রোকেমিক্যাল করপোরেশন (জেডপিসি) তাদের একটি বিশাল ইউনিট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক ৮ লাখ ব্যারেল তেল শোধনের ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্ল্যান্টটি আগামী মার্চ মাসে মাসব্যাপী মেরামতের কাজ শুরু করবে। এর ফলে তাদের উৎপাদন ২০ শতাংশ হ্রাস পাবে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় অপরিশোধিত তেলের জোগান কমে যাওয়ার কারণেই নির্ধারিত সময়ের আগেই এই ওভারহোলিং বা রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীন তাদের প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের প্রায় অর্ধেকই আমদানি করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবে চীনের অন্যান্য শোধনাগারগুলোও তাদের উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন শিল্প বিশেষজ্ঞরা।

ভূ-রাজনীতি ও সামরিক উত্তেজনা : যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৮ জন ইরানি সেনার প্রাণহানি তেহরানকে আরও কঠোর অবস্থানের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি দ্রুত এই যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান না ঘটে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে

পারে এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি দেখা দেওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। তথ্যসূত্র : আল জাজিরা ও রয়টার্স

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ