1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

মধুমতীর বুকে ‘মিনি সেন্টমার্টিন’

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫০ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিকেদক // মধুমতী নদীর বুক চিরে জেগে উঠেছে ধু ধু বালুচর। চারদিকে অথৈ জলরাশি, আর মাঝখানে এক চিলতে মরুভূমির মতো বিস্তৃত বালুর স্তর। নীল জল আর সোনালি বালুকাবেলার মিলনে তৈরি হয়েছে প্রকৃতির এক অন্যরকম মিতালি। মধুমতী নদীর এই রূপ দেখে কারও মনে হচ্ছে ‘মিনি সেন্টমার্টিন’, কেউ খুঁজে পাচ্ছেন কক্সবাজার বা কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের আমেজ।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মাঠলা এখন যেন এক নতুন পর্যটন স্বর্গ। জেলা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই চরটি গত জানুয়ারি মাস থেকে নতুন রূপে দেখা দিচ্ছে। স্বল্প সময়ের জন্য জেগে ওঠা এই বালুচর এরইমধ্যে ভ্রমণপিয়াসী মানুষের নজর কেড়েছে।

তবে এই সৌন্দর্য স্থায়ী নয়, অনেকটা লুকোচুরি খেলার মতো। ভাটা শুরু হলেই কেবল দৃশ্যমান হয় চরটি। প্রায় দুই ঘণ্টা থাকে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এরপর জোয়ারের জলে আবার তলিয়ে যায় নদীগর্ভে। দিনে দুইবার; সকাল ও বিকেলে জেগে ওঠে এই ভূমি। আর সেই অল্প সময়টুকু উপভোগ করতেই প্রতিদিন এখানে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ।
 
শুধু গোপালগঞ্জ নয়, আশপাশের নড়াইল, বাগেরহাট ও খুলনা জেলা থেকেও ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। শিশু থেকে বৃদ্ধ; সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বালুচরটি। পর্যটকদের মতে, নদীর মাঝখানে এমন বিস্তৃত বালুচর আর স্বচ্ছ পানির সমাহার সচরাচর দেখা যায় না। মূল ভূখণ্ড থেকে ট্রলার বা নৌকাই এখানে পৌঁছানোর একমাত্র ভরসা, যা ভ্রমণের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
 
চরটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল সিকদার বলেন, আগে কখনও এখানে এত মানুষের ভিড় দেখিনি। চরটি জেগে ওঠার পর থেকেই প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ আসছেন।
 

আরেক বাসিন্দা মো. রাসেল মুন্সি জানান, বিকেলের দিকে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। জোয়ার-ভাটার সময়ের ওপর নির্ভর করেই মানুষ এখানে আসেন। এখন পুরো এলাকাই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ