1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

শনিবার থেকে দুই মাস পদ্মা-মেঘনায় মাছ ধরা বন্ধ

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৩ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 0.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

নিজস্ব প্রতিবেদক // দুই মাসের জন্য চাঁদপুরের পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর ছয়টি অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইলিশের জাটকা রক্ষায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীকাল শনিবার রাত ১২টার পর থেকে শুরু হয়ে দুই মাস এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

চাঁদপুরে পদ্মা ও মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকার ষাটনল থেকে চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জাল ফেলা, মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভয়াশ্রমগুলোতে ২৪ ঘণ্টা জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহল থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাঁদপুর সদর, হাইমচর, মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তরসহ চার উপজেলার ৪৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত জেলে। এবার তাঁদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন ৩৯ হাজার ৪০০ জন।

সরকার মাসে ৪০ কেজি করে চার কিস্তিতে ১৬০ কেজি চাল বিতরণের ঘোষণা দিলেও জেলেদের মতে, কিস্তির চাপ ও সংসারের দৈনন্দিন খরচের তুলনায় এটি যথেষ্ট নয়।

সদর উপজেলার সাখুয়া এলাকার জেলে জীবন বলেন, ‘আমরা জেলেরা জাল বেয়ে ভাত খাই। আমাদের জেলেদের কিস্তি আছে, এটা বড় সমস্যা। কিছু কিছু কিস্তি নেয়, কিছু নেয় না। এখন এই কিস্তিগুলো কীভাবে বন্ধ করা যায়, সে জন্য সরকার যদি কিছু করত, তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।’

রনগোয়াল এলাকার জেলে রফিক বলেন, ‘দুই মাসের অভিযানে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যায়। তারপরও সরকার নিষেধাজ্ঞা দিলে আমরা মেনে চলি। নদীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। আর আমাদের দিকে সরকার একটু নজর দিলে ভালো হতো। দুই মাস তো বসে খাওয়া সম্ভব না।’

চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটের ব্যবসায়ী রায়হান বলেন, ‘দুই মাসের জন্য যে চাল দেয়, আমাদের ঘরে ৬–৭ জন খাওয়ার মানুষ আছে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলে আছে। এখন রোজার মাস, খরচ দ্বিগুণ। সব জিনিসের দাম বেশি। তাহলে আমরা কী দিয়ে চলব? সরকার যদি একটু সহযোগিতা না করে।’

নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি আইন মেনে চলা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নসহ পদ্মা-মেঘনা নদীর চরাঞ্চলে ভালোভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করলে এ অভিযান ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করেন জেলা মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার মানিক।

তিনি বলেন, ‘আগামী পহেলা মার্চ দুই মাসের জন্য স্যাংচুয়ারি পিরিয়ড শুরু হবে। আমরা মনে করি, এই সময় সফল করতে হলে ব্যবসায়ী ও জেলেসহ এ সেক্টরের সবাইকে সচেতন হতে হবে, আইন মানতে হবে।’

এই দুই মাস নদীতে না নামতে সচেতন সভা, মাইকিং ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে জেলেদের সচেতন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে থাকবে জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী।

জেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, মার্চ ও এপ্রিল মাসজুড়ে জাটকা রক্ষায় ১২টি স্পিডবোটে টিমভিত্তিক ২৪ ঘণ্টা নদীতে টহলে থাকবে সংশ্লিষ্ট টাস্কফোর্স। তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এ বছরও মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল চাঁদপুরে আমাদের অভয়াশ্রম কার্যক্রম শুরু হবে। এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য ইলিশ রক্ষা করা। পাশাপাশি অন্যান্য মাছও রক্ষা পাবে। ইতিমধ্যে সচেতন সভা, মাইকিং ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে জেলেদের সচেতন করেছি। দুই মাস এটি অব্যাহত থাকবে। জেলা টাস্কফোর্সের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান সার্বক্ষণিক পরিচালিত হবে। জেলেরা যেন জাল ফেলতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি থাকবে। কেউ জাল ফেললে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ