1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত

বরিশালে পুলিশের মামলার সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে বিপাকে এসআই মাজেদুল !

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৬১ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক

বরিশালে জমি দখল চেষ্টা নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে দায়েরকৃত জেলা পুলিশের মামলা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত ও সেনুযায়ী যথাযথ চার্জশীট প্রদান করে বিপাকে পড়েছেন মেট্রোপলিটনের এক পুলিশ কর্মকর্তা। যদিও বিষয়টিকে অহেতুক ও হয়রানী হিসেবেই দাবি করছেন অন্যান্যরা। কারণ হিসেবে তাদের দাবি, জেলা পুলিশের জমি দখলচেষ্টা নিয়ে ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিতের দ্বায়ে দায়েরকৃত মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। সত্য উদ্ঘাটন ও ঘটনায় জড়িত নয় এমন ব্যক্তিরাও বাদ পড়ে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েও ঐ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে অপ-প্রচারের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী হলেন- এসআই মাজেদুল ইসলাম। তিনি মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর লাইন রোডের মাথায় জেলা সার্কেল (বাকেরগঞ্জ) অফিসের সীমানার পিছনে ৫ শতাংশ জমি জেলা পুলিশ নিজেদের দাবি করে আসছে। তবে জমির মুল মালিক দাবি করা আনোয়ার নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন পুর্বে ঐ ৫ শতাংশ জমি নিজের দাবি করে পার্শবর্তী একটি ব্যাংকে মর্গেজ রেখে লোন উত্তোলন করেন। কিন্ত সেই লোন পরিশোধে তিনি ব্যর্থ হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালতের নির্দেশ মোতাবেক জমি বিক্রি হিসেবে আগ্রহী ১০ জনের কাছে দলিল প্রদান করা হয়।

এদিকে ব্যাংকের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে এদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি সেখানে দখলের চেষ্টা চালালে জেলা পুলিশ জমি নিজেদের দাবি করে পুলিশ লাইনের ইন্সপেক্টর সুবিমল চন্দ্র ঐ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন কোতয়ালী মডেল থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম। তিনি মামলাটি যথাযথ সতর্কতার সাথে সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।

এসআই মাজেদ জানান, মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্তির পর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ উদ্বারপুর্বক পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করি। এছাড়া অন্যান্য তথ্য ও উপাত্ত সঠিকভাবে উদঘাটনের মধ্য দিয়ে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলে। এছাড়া বাকি ৪ জনের সম্পৃক্ততা মিলেনি। এর মধ্যে র‍্যাব-৬ এ খুলনায় কর্মরত এএসআই শহিদুল ইসলাম । মুঠোফোনসহ বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বরিশালের তার উপস্থিতি কিংবা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কোন প্রমাণ মিলেনি। ঘটনার এক মাসের মধ্যেও তিনি বরিশালে উপস্থিত ছিলেন না । অন্যজন এসআই হুমায়ুন কবির। তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত ছিলেন। ৫ আগস্টের পরের ঘটনা হওয়ায় নির্দেশ অনুযায়ী তিনি থানাতেই উপস্থিত ছিলেন। উভয়ের কর্মস্থল থেকেই এ বিষয়ে পৃথক প্রত্যয়নও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ ।

এছাড়া ৪ জনের মধ্যে বাকি রয়েছেন দুইজন নারী। তাদের ঘটনার সাথে কোন সম্পৃক্ততা মিলেনি। জড়িত না থাকার পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়ার কারণেই এই ৪ জনকে চার্জশীটের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এদিকে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে বিষয়টি পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) মহোদয়দের স্ব-শরীরের গিয়ে অবহিত করি। এছাড়া বিষয়টি বাদীকেও জানাই। পরবর্তীতে সুষ্ঠু তদন্তে উঠে আসা প্রতিবেদনে ৬ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করে মামলাটির প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করি।

এক্ষেত্রে আমি স্বজনপ্রীতি কিংবা কোন অবৈধ স্বার্থ হাসিল করিনি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যে সঠিক তথ্যই উঠে এসেছে সে অনুযায়ী আমি প্রতিবেদন দাখিল করেছি । আমার বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের ঘটনায় আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

উল্লেখ্য, বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার একজন চৌকস কর্মকর্তা এসআই মাজেদুল ইসলাম। দায়িত্বপ্রাপ্তির পর থেকেই প্রত্যেকটি মামলা সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক তথ্য উদঘাটনের মধ্য দিয়ে একাধিকবার শীর্ষ মহল থেকে পুরস্কৃতও হয়েছেন তিনি। এছাড়া শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা হিসেবেও একাধিকবার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে সক্ষন হন এই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ