1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ডাকাতি মামলার আসামি সেই মারযুক আব্দুল্লাহ, খুঁজছে পুলিশ !

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ৩৯৭ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

ডাকাতি মামলার আসামি সেই মারযুক আব্দুল্লাহ, খুঁজছে পুলিশ !

অনলাইন ডেস্ক

ডাকাতি করতে গিয়ে পটুয়াখালীতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ক্যাডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার বহিষ্কৃত সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মারজুক আব্দুল্লাহ। গত ৫ জুন পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে। আর এ ঘটনায় পরদিন দুমকি থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। চেকপোস্টে থানা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছেন। যার নং-২০২। আসামীদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণপূর্বক একত্রে সমবেত হওয়ার দ্বায়ে পেনাল কোডের ৩৯৯/৪০২ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা রুজু করা হয়।

মামলায় আসামিরা হলো- বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানাধীন চরআইচা এলাকার মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার, সদর এলাকার আব্দুস সত্তার হাওলাদারের ছেলে ও সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ক্যাডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ১০ নং ওয়ার্ডস্থ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ও জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বহিষ্কৃত সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মারজুক আব্দুল্লাহ। আটককৃত দু’জনের কাছ থেকে ডাকাতির সরঞ্জামাদি হিসেবে একটি খেলনা পিস্তল, দুইটি স্মার্টফোন ও বাটন মোবাইল, ওয়াকিটকি ও ইলেকট্রিক শক ডিভাইস উদ্বার করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত দু’জনকে আটক করা গেলেও মারযুক আব্দুল্লাহ অধরাই রয়ে গেছে। এই অভিযুক্তকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে এজাহারে পুলিশ জানায়, দুমকি থানাধীন লেবুখালী ইউনিয়নস্থ পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, দুইটি মোটরসাইকেল যোগে ৫/৬ জন লোক ডাকাতি করার জন্য বরিশাল থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছে। সংবাদের ভিত্তিতে আমি সঙ্গীয় ফোর্সসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সতর্ক অবস্থান নেই।

পরবর্তীতে ২টি মোটরসাইকেল চেকপোস্টের সামনে আসলে ১ম মোটরসাইকেল থেকে তিনজন লোক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হলেও মারযুক আব্দুল্লাহ পালিয়ে যায়। এসময় আটক শিপন ও মামুনের কাছ থেকে খেলনা পিস্তল, দুইটি স্মার্টফোন ও বাটন মোবাইল, ওয়াকিটকি ও ইলেকট্রিক শক ডিভাইস উদ্বারপুর্বক জব্ধ করি। এছাড়া মারযুক মোটরসাইকেলটি ফেলে যায়। সেটিকেও জব্ধ করা হয়। আরেকটি মোটরসাইকেল পিছন থেকে বরিশালের দিকে চলে যায়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, তারা পেশাদার ডাকাত চক্রের সদস্য। পলাতক আসামি মারযকু আব্দুল্লাহ মোটরসাইকেল রেখে পুলিশের সিগন্যাল পাওয়া মাত্রই পালিয়ে যায়। এছাড়া মারযু সহ তারা খেলনা পিস্তল, ওয়াকিটকি ও ইলেকট্রিক শক ডিভাইসের মাধ্যমে বিভিন স্থানে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোরপুর্বক অর্থ হাতিয়ে নেয় বলেও স্বীকারোক্তিতে জানান আসামিরা।

এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন জানান,  পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে মামুনসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও মারযুক নামের একজন পালিয়ে গেছে। এঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে অভিযোগে আরও জানা গেছে, বরিশালের রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন। এক সময় ওষুধ কোম্পানিতে চাকরী করতেন। আওয়ামীলীগ আমলে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলেও এখন তিনি বিএনপি-এনসিপি-বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন। এই সব নেতাদের ব্যবহার করে এখন তিনি মেতেছিলেন মামলা বাণিজ্যে, এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। মামুন গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকেই তার ভাগ্নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার বহিষ্কৃত নেতা মারজুক আব্দুল্লাহর সহযোগিতায় একাধিক নিরীহ মানুষের মামলায় নাম দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। এছাড়া মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়ার নাম করে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। বরিশালে সম্প্রতি জুলাই আন্দোলনের ৯ মাস পর মামলা দায়ের করে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বরিশাল জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব মারজুক আবদুল্লাহ। অনেক নিরাপরাধ ব্যক্তিকে মামলায় জড়িয়ে অর্থ বাণিজ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে মারজুকের বিরূদ্ধে। এমনকি এ নিয়ে তার সাংগঠনিক পদও স্থগিত করা হয়েছে। মারজুকের বক্তব্যে জানা যায়, ওই মামলার সবাইকে তিনি চেনেন না। অনেকের পরামর্শ নিয়ে আসামীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি তিনি পাল্টা অভিযোগ করেছেন, নাম দেয়া-বাদ দেয়া নিয়ে অনেকে তাকে অনুরোধ করেছেন। এ নিয়ে তাদের সাথে ব্যাপক মতবিরোধের ব্যাপারটি তিনি উল্লেখ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে মামুন জানিয়েছিলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন রাজনৈতিক দল করি না। বিভিন্ন জায়গায় অনেক রাজনৈতিক নেতাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সাথে আমার দেখা হয় বা হয়েছে। হয়তো কারো কারো সাথে ছবিও তুলেছি, এটা যদি অন্যায় হয় তাহলে আমার কিছু করার নেই। মাদক ব্যবসা ও মামলা বাণিজ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, “মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা, নিজে আমি একটা সিগারেটও খাইনা। তার বিরূদ্ধে আনিত সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে তিনি দাবি করেন।”

 

 

 

 

 

 

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ