1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

হয়রানীমুক্ত স্বস্তির টার্মিনালে পরিনত ‘বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, প্রশ্নবিদ্ধে অসাধুরা সক্রিয় !

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫
  • ১৮৬ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজ ও হয়রানীমুক্ত স্বস্তির এক টার্মিনালে পরিনত হয়েছে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের পতনের পর প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই প্রতিষ্ঠানটিতেও। ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুথানে ৫ আগস্টের পর টার্মিনালে একক আধিপত্য বিস্তার করে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত থাকা পতিত সরকারের দোসররা পালিয়ে যায়। এরপর থেকেই বাস মালিক সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপ পরিচালনায় ইতিবাচকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর থেকেই সব হয়রানী ও চাঁদাবাজি বন্ধের মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে সমিতি’র কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের এ নেতৃত্বের ফলে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে ইতিবাচক ধারায় এক অনন্য যাত্রীসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপনে সক্ষম হয়েছেন তারা। এদিকে এসব অর্জন ও ইতিবাচক ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধে শুরু থেকেই নানা অপকৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে পুর্বের ফায়দা লুটতে ব্যর্থ হওয়া অসাধু ব্যক্তিরা। তারা সমিতি’র সদস্যদের বিরুদ্ধেও একের পর এক ফন্দি আঁটতে থাকে। যদিও তা ঢোপে টিকেনি। সম্প্রতি নিয়ম ফেরাতে এক প্রচেষ্টাকে অপকৌশলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ঐ অসাধু মহল। যার ধরুন জেলা বাস মালিক গ্রুপের বিরুদ্ধে নানান অপ-তৎপরতা চালায় তারা। বরিশাল বিআরটিসি বাসের অনিয়মকে নিয়মে ফেরাতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন তারা।

প্রতক্ষদর্শী মালিক সদস্যরা জানান, নিয়মানুযায়ী বিআরটিসি বাস দুরপাল্লার সব যাত্রী পরিবহন করবে। আর লোকাল যাত্রী পরিবহনে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের অধীনে থাকা বাসগুলো রয়েছে। কিন্ত দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিসি বাসের চালক ও হেলপাররা লোকাল যাত্রী পরিবহন করে আসছিল। এ নিয়ে বরিশালে ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা জামিলকে বারবার অবহিত করা হলেও বারবার সময় নিয়েও কোন সমাধান করেননি। এরই ধারাবাহিকতায় নথুল্লাবাদ টার্মিনাল এলাকায় গত ১৭ মে লোকাল যাত্রী পরিবহন করছিল বিআরটিসি বাসের চালক ও হেলপাররা। বিষয়টি সুরাহায় টার্মিনালের অভ্যন্তরে আসেন তারা। এসময় মালিক সদস্যরা অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি জানতে চাইলে চালক-সুপারভাইজার ও হেলপাররা একে অপরকে দোষারোপ করে নিজেরা তর্কে লিপ্ত হন। যা নিয়ে তিনজনের মধ্যে মারমুখী অবস্থানের সৃষ্টি হয়।

এসময় সমাধানের জন্য জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ সিকদার ডালিম সমাধানকল্পে তিনজনকেই তর্ক করতে নিষেধ ও মারমুখী অবস্থান থেকে সরিয়ে দেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রচেষ্টা চালান তিনি। কোন মারধর কিংবা হয়রানী করেননি তিনি।

এদিকে বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধে অসাধুরা অপকৌশল অবলম্বন করে। যার ধরুন বিভিন্ন মাধ্যমে অপ-প্রচার চালায় একটি অংশ। টার্মিনালের মধ্যে টর্চার সেল ও চাঁদাবাজি’র মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। যদিও বাস্তবে এর কোন সত্যতা নেই বলে জানান মালিক সদস্যরা। তারা জানান, বিআরটিসি বাস দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে লোকাল যাত্রী পরিবহন করে যাচ্ছে। যানিয়ে একাধিকবার ম্যানেজারকে বলা সত্ত্বেও তিনি কোন সমাধান করেননি। ওইদিন বিআরটিসি বাসের চালক-হেলপার ও সুপারভাইজার মিলে নিজেরা নিজেদের মধ্যে তর্কে জড়ায়। যা নিয়ে সমাধানে এগিয়ে আসলে এক মালিক সদস্যের বিরুদ্ধে নানান অপ-তৎপরতা চালানো হয়। মুলত ৫ আগস্টের পর চাদাবাজি ও হয়রানীমুক্তভাবে চলছে বাস টার্মিনাল। কিন্ত ইতিবাচক কর্মকান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধে অসাধু মহলের এসব অপকৌশলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

 

 

 

 

 

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ