1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত

ফাঁসিতে মৃত্যু: ছেলের লাশ দেখে অজ্ঞান শতবর্ষী বৃদ্ধা মা

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩
  • ২৪৭ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি // ১৭টি বছর ধরে দেখেন না ছেলেকে, ফাঁসির আদেশও জানতেন না, ফাঁসির রায়ের খবরে আত্মীয়-স্বজন সংবাদকর্মী বাড়িতে এলেও জানতেন না কী কারণে মানুষের এতো সমাগম। আজ ভোরে বাড়িতে কী কারণে চেয়ার টেবিল আনা হচ্ছে তাও জানতেন না এই বৃদ্ধা মা।

অনেক আগেই শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন শতবর্ষী মা সেতারা বেগম। এজন্য তার সামনে দিয়ে হাজারো কথা হলেও তিনি কিছুই শুনতেন পেতেন না। যার কাছে জিজ্ঞাসা করেন সেই এড়িয়ে যেতেন তাকে। শুধু হাত দিয়ে ইশারা দিয়ে বলা হত ‘কিছু না’।

আজ ভোর ছয়টায় অ্যাম্বুলেন্স হাজির হলো বাড়িতে। এরপর অ্যাম্বুলেন্স থেকে মহিউদ্দিনের লাশ নামিয়ে লাশ নিয়ে আসা হয় ঘরের সামনে। ছেলের মৃতদেহ দেখেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন শতবর্ষী মা সেতারা বেগম। জ্ঞান ফেরার পর ছেলের মুখ দেখতে ছুটে যান খাটিয়ার কাছে। বুকের ধনকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। তখন স্বজনেরা কোলে করে সরিয়ে নেন।

এদিকে, মহিউদ্দিনের লাশ বাড়িতে পৌছানোর পর পারিবারিক মসজিদের সামনে কবর তৈরি করা শুরু করেন চাচাতো ভাই সিকু মিয়া।

মহিউদ্দিনের ছোটবেলার শিক্ষক সুধীর চন্দ্র মন্ডল বলেন, ‘আমরা মহিউদ্দিনকে সূর্য মিয়া বলে ডাকতাম। ক, খ থেকে শুরু করে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত আমি ওকে পড়ালেখা করিয়েছি। ওর মত মেধাবী ও ভদ্র ছেলে আমাদের এলাকায় নাই। ওর ফাঁসিতে আমরা ব্যাথিত ও দুঃখ প্রকাশ করছি।’

গ্রামের আরেক বৃদ্ধা মহিলা রেবা বেগম জানান, ‘সূর্য মিয়া খুব ভালো ছেলে ছিল। আমি ওকে নিজ হাতে কোরআন শরীফ শিক্ষা দিয়েছি। ওর মত ছেলে আর হবে না।;

এ ঘটনায় তুজারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফকির আসলাম বলেন, ‘আমার জন্মের আগেই ড. মহিউদ্দিন ওরফে সূর্য মিয়া রাজশাহী চলে গেছেন। মুরুব্বিদের কাছ থেকে শুনেছি উনি অত্যন্ত মেধাবী ও ভালো মানুষ ছিলেন। তবে ওনার ভাই আমার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং উনরা আওয়ামী পরিবারের লোক। আমাদের কাছে উনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।’

মহিউদ্দিনের ভাই আরজু মিয়া বলেন, ‘যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন আর বলার কিছু নাই তবে আমার ভাই ছিল নির্দোষ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ