1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফারহান আরিয়ান ল’ ফার্মকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মহিউদ্দিন খান মঈনকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, সম্মাননা পেলেন বিশিষ্টজনেরা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় ফারহান আরিয়ান, এসকোয়ার বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা

ফায়ার সার্ভিসের কাজে অবহেলার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৮৭ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক // রাজধানীর বঙ্গবাজারে আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কাজে অবহেলার অভিযোগ এনেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন, ‌‘ফায়ার সার্ভিসের হেড অফিস বঙ্গবাজারের উল্টোদিকে। তারা এখানে বসে বঙ্গবাজার রক্ষা করতে পারেনি। তাহলে বাংলাদেশকে তারা কী রক্ষা করবে। আর তারা কেন আছে?’

আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর সাড়ে ১২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র‌্যাবসহ আরও অনেকেই।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘তারা (ফায়ার সার্ভিস) অসংখ্য কষ্ট করেছেন। তাদের ঘাম ঝরেছে, তাদের অনেকেই দগ্ধ হয়েছেন শুনবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রেজাল্ট কী আসল। আমরা কী পেলাম। আমরা পেলাম, সব ব্যবসায়ীর স্বপ্ন ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু স্বপ্ন না, সব ব্যবসায়ীর বেঁচে থাকাও কষ্টকর হয়ে গেছে।’

বঙ্গবাজারে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি আছে জানিয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর জন্য কখনই চেষ্টা করে নাই। তারা যদি আগুন নেভানোর চেষ্টা করতো তাহলে ৬টায় আগুন লেগে থাকলে মহানগর মার্কেট সকাল ১০টা বাজে খুলছে। পাশে সিদ্দিকবাজারে যে বেস্ফিারণ হয়েছে সেখানে কিন্তু তারা ভেতর থেকে কাজ করেনি।’

এ সময় সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিস বড় গাড়ি বের করেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

আরেকজন ব্যবসায়ী প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কেন থাকবে এই পুলিশের হেড কোয়ার্টার, ফায়ার সার্ভিসের হেড কোয়ার্টার…এটা সেটা কেন, কী কাজে আসে। আমি তো দেখি কোনো কাজে আসেনি। কী কাজে এসেছে আমকে কেউ একটা উত্তর দেন।’

মালামাল বের করতে পারিনি বলছেন আরেকজন

 

তিনি আরও বলেন, ‘আজ এখানে চারটি মার্কেট পুড়ে গেছে। যদি একটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো তখন বলতে পারতাম তারা সফলতা অর্জন করেছে।’

আরেক ব্যবসায়ী বলছিলেন, ‘আমি মালামাল বের করতে পারিনি। আমি যখন ঢুকেছি আমাকে বের করে দেওয়া হয়েছে। উনারাও (ফায়ার সার্ভিস) ভেতরে ঢোকে নাই। তারা শুধু বাইরে থেকে মার্কেটের এক কোনায় পানি দিছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ