1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
পরিবারের উদ্যোগে প্রয়াত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মানবিক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের উদ্যোগ, সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ঈদ উপহার বিতরণ হিজলায় পুলিশ সদস্যদের ওপর মৎস্য অধিদপ্তরের অতর্কিত হামলা সুলভ মুল্যে ইফতার বুকিং নিচ্ছে ‘লবস্টার রেস্ট্রুরেন্ট ও কনভেনশন হল’  সুলভ মুল্যে মানসম্পন্ন ইফতার বিক্রি করছে ‘খাবার বাড়ি সুইটস এন্ড রেস্ট্রুরেন্ট’ বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এ্যাল্যায়েন্স (বিএমটিএ) পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ বরিশালে পুর্ব শত্রুতার জেরে ৪ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ, শেবাচিমে ভর্তি বসিক উপ নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মো: রাশিক হাওলাদার চরকাউয়া খেয়াঘাটে অপ্রতিরোধ্য জুয়ার আসর ! বরিশালে ’’শিকদার এক্সপ্রেস’ কুরিয়ার এন্ড পার্সেল সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন

কৌশলে তুমব্রু ছাড়ছে আশ্রিত রোহিঙ্গারা

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৬ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি // বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের তুমব্রু গ্রামে আশ্রয় নেওয়া শূন্যরেখার রোহিঙ্গারা কৌশলে এলাকা ছাড়ছে। এসব রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য গন্তব্য পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, বাইশারী এবং কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন। জানা গেছে সূর্যপাড়া, মগপাড়া, বাইশফাড়ি, উত্তর ঘুমধুমসহ বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ছে তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৮ জানুয়ারি শূন্যরেখায় সংঘটিত ঘটনার পর অন্তত এক হাজার রোহিঙ্গা অন্যত্র পালিয়েছে। এসব রোহিঙ্গারা পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি, রামু হয়ে লামা-আলীকদমের দিকে পাড়ি জমাচ্ছে।

তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, ‘গত বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় দেখা যায় হাজারও রোহিঙ্গা ত্রিপলের ছাউনির নিচে বসবাস করছেন।‘

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘ত্রিপলের তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। তারা কৌশলে পার্শ্ববর্তী গ্রামে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। অচিরেই তাদের ঠেকানো দরকার।’

১৮ জানুয়ারি শূন্যরেখায় মিয়ানমারের আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সকাল থেকে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময় শুরু হয়। এতে অনেকেই হতাহত হয়। এ ঘটনার পর শূন্যরেখায় থাকা রোহিঙ্গাদের ৬০০টির বেশি ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ৪ হাজার ২০০ রোহিঙ্গা তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় আশ্রয় নেয়। তবে এ ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও শূন্যরেখার বাস্তুহারা রোহিঙ্গাদের কোথায় নেওয়া হবে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ