1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফারহান আরিয়ান ল’ ফার্মকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মহিউদ্দিন খান মঈনকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, সম্মাননা পেলেন বিশিষ্টজনেরা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় ফারহান আরিয়ান, এসকোয়ার বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা

অপহরণের পর ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিল পুলিশ!

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৯৯ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
অনলাইন ডেস্ক // সেলস ট্যাক্সের এক এজেন্টকে অপহরণ করে দেড় লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ) মুক্তিপণের আদায় করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের দিল্লি পুলিশের তিন কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত দুই কনস্টেবল সন্দীপ এবং রবিনকে গ্রপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিত এবং এক দুষ্কৃতিকে খুঁজছে পুলিশ।

দেশটির পুলিশ সূত্রের খবর, দিল্লির জিটিবি এনক্লেভ থেকে সেলস ট্যাক্সের ওই এজেন্টকে অপহরণ করেন তিন কনস্টেবল। এই কাজে তাদের সহযোগিতা করেন গৌরব নামে এক দুষ্কৃতি। অভিযুক্তদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই এজেন্টের কাছ থেকে দেড় লাখ রুপি মুক্তিপণও আদায় করেন তারা। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেন অভিযুক্তরা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জিটিবি এনক্লেভে পরিবারকে নিয়ে থাকেন ওই এজেন্ট। গত ১১ অক্টোবর কাজ থেকে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এজেন্টের দাবি, শহদারা উড়ালপুল পার করতেই সাদা রঙের একটি গাড়ি ওভারটেক করে তার পথ আটকায়। কেন পথ আটকানো হচ্ছে, এ কথা জিজ্ঞাসা করতেই তিন ব্যক্তি গাড়ি থেকে নামেন এবং তাকে মারধর শুরু করেন।

ওই এজেন্টের আরও দাবি, মারধরের পর সাদা রঙের ওই গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যান। তিন জনের মধ্যে এক জন এজেন্টের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে ৩৫ হাজার রুপি ছিনিয়ে নেন। শুধু তাই নয়, তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ রুপি দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ। যদি সেই অর্থ দিতে না পারেন, তাহলে আটকে রেখে দেওয়ারও হুমকি দেন অপহরণকারীরা।

এজেন্ট আরও দাবি করেন, তাকে শহদরা জেলার স্পেশাল স্টাফের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর মেডিকেল পরীক্ষা করানোর জন্য জিটিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও অর্থের জন্য হুমকি দেওয়া হয়। এর পর অপহরণকারীরা এজেন্টকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে ৫০ হাজার রুপি আদায় করেন। শুধু তাই নয়, আরও ৭০ হাজার রুপি এক বন্ধুর কাছ থেকে ধার করে এক অপহরণকারীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বাধ্য করা হয়। মোট দেড় লাখ রুপি আদায়ের পর ট্যাক্স এজেন্টকে ছেড়ে দেন অপরহণকারীরা।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, অপহরণ এবং মুক্তিপণের মূল ষড়যন্ত্রকারী পলাতক কনস্টেবল অমিত। দিল্লি পুলিশের ৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত তিনি। অপহরণের জন্য ওয়াহিদ নামে এক অভিযুক্তের গাড়ি ব্যবহার করা হয়। দিল্লি পুলিশের সন্দেহ, এই ঘটনায় এক সাব-ইনস্পেক্টরও জড়িত আছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ