1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফারহান আরিয়ান ল’ ফার্মকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মহিউদ্দিন খান মঈনকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, সম্মাননা পেলেন বিশিষ্টজনেরা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় ফারহান আরিয়ান, এসকোয়ার বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা

চেয়ারম্যানের ভয়ে গ্রামছাড়া এলাকাবাসী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩২৮ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
ডেক্স রিপোর্ট // ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের লোকজনকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা বলেন, সম্প্রতি একটি ধর্ষণ মামলার আসামি হওয়ার পর বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন চেয়ারম্যান। গত দুই দিনে পাঁচজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। ভয়ে গ্রামছাড়া হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের বাকড়ি গ্রামে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ও তার লোকজনের হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন, স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল আলম, ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বদরুল হাসান, ফরিদুল ইসলাম, জামিরুল ইসলাম ও আলী হোসেন। তাদের মধ্যে আলী হোসেন ছাড়া অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০ এপ্রিল এক নারী সদর থানায় ধর্ষণের একটি মামলা করেন। মামলার অপর আসামি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক শাহীন।

চেয়ারম্যানের ধারণা, তার বিরোধী হিসেবে পরিচিত স্কুলশিক্ষক মাহবুবুল আলম, ইউপি সদস্য বদরুল হাসান ধর্ষণ মামলাটি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর তার সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। পাঁচজনকে আহত করার পরদিন বাকড়ি গ্রামে আবার হামলা চালান চেয়ারম্যানের লোকজন। ভয়ে এলাকাছাড়া হন অন্তত ১৫ জন।

যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত হামলার অভিযোগ মিথ্যা। বিরোধী একটি পক্ষ সম্মানহানির জন্য মিথ্যা কথা রটাচ্ছে। ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন, মুঠোফোনটিও বন্ধ ছিলো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ