
গ্রেপ্তার মো. মাইন উদ্দিন (৩৬) বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বানু মাঝির বাড়ির মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌরসভা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- বসুরহাট পৌরসভা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হৈইদ বাড়ির মো. গোলাম মাওলার ছেলে মোহন (২০) ও একই ওয়ার্ডের মিয়া (৪৫)।
এর আগে, একই দিন বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মাইন উদ্দিন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তিনি এলাকায় কেউ দোকান ও নতুন বাড়ি ঘর নির্মাণ করলে সেখান থেকে চাঁদা আদায় করে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতেন। আনোয়ার হোসেন নামে এক আমেরিকা প্রবাসী বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইদ্রিসিয়া সড়কের পাশে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এরপর গত ১০ এপ্রিল বিকেলে মোহনের নেতৃত্বে আসামিরা ভবন নির্মাণকারীদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে চাঁদা না পেয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় এবং চাঁদা না দিলে হত্যার হুমকি ধমকি দেয়। পরে ভবনের মালিককে বিষয়টি জানায় তার ভায়রা মো. নুর নবী।
ভবনের মালিক বিষয়টি জানতে পেরে যুবলীগ নেতা মাইন উদ্দিনকে তার ভায়রা নুরনবীর মাধ্যমে গত ১৫ এপ্রিল বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের সামনে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেন। কিছুদিন পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নির্দেশে ভুক্তভোগী মালিকের ভায়রা বাদী হয়ে বুধবার ১০ মে তিনজনের নাম উল্লেখ করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল আউয়াল সুমন বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামি বেআইনীভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
Leave a Reply