1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত

শিশু ধর্ষণের পর হত্যা: দুই জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৭৫ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
কুমিল্লা প্রতিনিধি // কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত। কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান জানান, রায় ঘোষণাকালে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ মার্চ শিশু শিমু আক্তারকে (১০) ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানাবে বললে আসামিরা ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে শিমুকে হত্যা করে। এ ঘটনায় শিমুর বাবা সাইদুল হক বাদী হয়ে আমির হামজা ও বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জামির উদ্দিন জিয়া জানান, আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তারা জানিয়েছেন, তাদের টার্গেট ছিল শিমুর বড় বোন শারমিন আক্তারকে ধর্ষণ করা। কিন্তু ঘটনার দিন শারমিনকে না পেয়ে শিমুকে ধর্ষণ শেষে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ খাটের নিচে রেখে দেয়।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে শিমুর বাবা সাইদুল হক বলেন,‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মেয়ের খুনিদের বিচার পেয়েছি। এখন রায় কার্যকর হলে আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ