1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

মার্কিন সামরিক বাহিনী ৬টি পারমাণবিক বোমা হারিয়ে ফেলেছে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৩ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক // যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার থেকে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ছয়টি শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় ‘ব্রোকেন অ্যারো’ বা পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত ৩২টি ঘটনার মধ্যে এই ছয়টি বোমার হদিস আজও পাওয়া যায়নি।

বর্তমান সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ উত্তেজনা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ হুমকির প্রেক্ষাপটে এই নিখোঁজ অস্ত্রগুলো কোনোভাবে শত্রুরাষ্ট্রের হাতে পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

এদিকে পারমাণবিক বহনকারী ‘ডুমসডে প্লেন’ ইরানের দিকে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বোয়িং ৭০৭ এয়ারফ্রেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানগুলো মূলত পারমাণবিক হামলা শুরু করা ও আকাশ থেকে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, তারা যেহেতু এই বোমাগুলো খুঁজে পায়নি, তাই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরাও এগুলো খুঁজে পাবে না; তবে সমুদ্রের তলদেশে বা নির্জন স্থানে পড়ে থাকা এই মারণাস্ত্রগুলো যেকোনো সময় একটি বড় শহর ধ্বংস করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

নিখোঁজ এই অস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম আলোচিত ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে টাইবি দ্বীপের কাছে। তখন একটি বি-৪৭ হাইড্রোজেন বোমারু বিমান মাঝআকাশে অন্য একটি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের শিকার হলে নিজের কাছে থাকা ‘মার্ক ১৫’ হাইড্রোজেন বোমাটি সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে এটি একটি নকল বা ডামি বোমা বলে দাবি করা হলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তথ্যে জানা যায় যে এটি একটি পূর্ণ মাত্রার শক্তিশালী অস্ত্র ছিল। ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েও আজ পর্যন্ত সেই বোমার কোনো হদিস মেলেনি। এ ছাড়া গত কয়েক দশকে এমন আরও পাঁচটি পারমাণবিক বোমা সমুদ্রের অতল গহ্বরে অথবা দুর্গম স্থানে হারিয়ে গেছে যা এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি এই হারানো মারণাস্ত্রগুলোর ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ইরান যদি কোনোভাবে এই নিখোঁজ প্রযুক্তির নাগাল পায় তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে টাইবি দ্বীপের মতো জায়গায় যেখানে বোমাটি হারিয়েছে, সেখানে এখন কোনো অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে না। কিন্তু আধুনিক উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ যদি সমুদ্রের গভীরে তল্লাশি চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরনো ভুলগুলোই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের শেষ দিকে পেন্টাগনকে রাশিয়া ও চীনের পাল্লা দিয়ে নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন, যা এই খাতে নতুন করে প্রতিযোগিতার জন্ম দিয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের এই আধুনিকায়ন এবং হারানো অস্ত্রের শঙ্কা—দুইয়ে মিলে বিশ্ব এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পুরনো ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনাগুলো কেবল ইতিহাসের অংশ নয় বরং এগুলো বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য একটি জীবন্ত হুমকি। যতদিন এই ছয়টি মারণাস্ত্রের চূড়ান্ত অবস্থান নিশ্চিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত এগুলো যেকোনো পক্ষকে আকস্মিক পারমাণবিক শক্তির অধিকারী করে দেওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ