1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত

সার্ভেয়ারের চারতলা ভবনে সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১৯ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক // সরকারি চাকরি, সীমিত বেতন কাঠামো, অথচ বরিশাল নগরীর অভিজাত এলাকায় চারতলা বিলাসবহুল ভবন। সঙ্গে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ মীজানুর রহমান বাদলের সম্পদ নিয়ে স্থানীয় মহলে এখন নানা প্রশ্ন ঘুরছে। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্ব পালনকালে ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। বর্তমানে বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত মীজানুর রহমান বাদল এর আগে পিরোজপুর এস.এ শাখায় দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, খাস জমি বন্দোবস্ত, খাস মহল সংক্রান্ত নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ, নামজারি এবং জমি সংক্রান্ত রেকর্ড সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি।

 

এসব ক্ষেত্রেই ঘুষ ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। একজন ভূমি সার্ভেয়ারের দায়িত্ব মূলত মাঠপর্যায়ে জমির পরিমাপ, রেকর্ড যাচাই এবং দাপ্তরিক তথ্য সরবরাহে সীমাবদ্ধ। কিন্তু অভিযোগকারীদের দাবি, এই দায়িত্বের সুযোগ নিয়ে তিনি জমির মালিকানা ও নামজারি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক সুবিধা দিয়েছেন। বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সাগরদী ইসলামপাড়া সড়কে “ঐশী মঞ্জিল” নামে চারতলা একটি ভবন নির্মাণ করেছেন তিনি। ২০১৮ সালে নির্মিত এ ভবনটি এলাকায় দৃষ্টিনন্দন ও ব্যয়বহুল স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।

আশপাশের বাসিন্দাদের ধারণা, ভবন নির্মাণে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যদিও সুনির্দিষ্ট ব্যয়ের হিসাব এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। এছাড়া তার স্ত্রীর নামে বাংলাদেশ ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের তথ্যও উঠে এসেছে। সম্পদের এই বিস্তার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তাদের বক্তব্য, একজন সার্ভেয়ারের সরকারি বেতন ও নিয়মিত আয় থেকে এত অল্প সময়ে এমন সম্পদ অর্জন স্বাভাবিক নয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মীজানুর রহমান বাদল। তিনি বলেন, তার পিতা সরকারি চাকরিতে ছিলেন এবং পেনশনের অর্থের সঙ্গে নিজের সঞ্চয় মিলিয়ে ভবনটি নির্মাণ করেছেন। তার দাবি, আয়কর বিবরণীতে ভবনের তথ্য উল্লেখ রয়েছে এবং তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন।

 

এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, এখন পর্যন্ত তার দপ্তরে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভূমি প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে আর্থিক লেনদেনের তথ্য, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ বিবরণী যাচাই জরুরি। যথাযথ তদন্ত ছাড়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। মীজানুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তীব্র হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি নিরপেক্ষ অনুসন্ধান শুরু করে, তাহলে সম্পদের উৎস, আয়কর বিবরণী এবং আর্থিক লেনদেনের প্রকৃত চিত্র সামনে আসতে পারে। সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটি কেবল ব্যক্তিগত বিষয় থাকে না; তা জনস্বার্থের ইস্যুতে পরিণত হয়। এখন দেখার বিষয়, অভিযোগগুলো কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি সত্য উদঘাটনে আনুষ্ঠানিক তদন্ত এগিয়ে আসে। 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ