
অনলাইন ডেস্ক
বরিশাল সদর উপজেলার ১০ নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোঃ সিরাজুল হক হাওলাদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ষড়যন্ত্রকারী বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড কাজী এনায়েত হোসেন বাচ্চু ও তার ছোট ভাই চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কাজী ফিরোজ আলমকে অবিলম্বে বহিষ্কারের দাবিতে গত রোববার সকাল ১১ টায় চন্দ্রমোহন বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ জনগণ এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচী পালন করে।
স্থানীয় বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, মিথ্যা হয়রানীকমুক্তভাবে মানববন্ধনের অভিযোগ এনে গতকাল প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে এনায়েত হোসেনের পক্ষে তার ছোট ভাই ফিরোজ আলম। চেয়ারম্যানকে মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে উল্টো মানববন্ধনের প্রতিবাদ সভা করায় ক্ষিপ্ত হয় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও অধিকাংশ বিএনপি নেতারা।
প্রায় শত শত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঐ সভা প্রতিহতের জন্য অগ্রসর হয়। কিন্ত বিষয়টি টের পেয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সভা যাতে সমাপ্ত হয় এজন্য ভুমিকা রাখেন ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান নিজেই।
জানা গেছে, চেয়ারম্যান সিরাজ এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায়ে সাধারণ মানুষদের শান্ত থাকতে আহবান জানান। প্রতিহত করতে গেলে উভয় পক্ষ সংঘাতে জড়াতে পারেও বলে আশংকা করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়া তাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ পালনে তিনি বদ্ধ পরিকর।এদিকে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ইসরাইল পন্ডিত।
বক্তব্য রাখেন মোঃ আব্দুল মালেক হাওলাদার সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপি , মোঃ হুমায়ুন কবির বাদল ঢালী সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপি, বরিশাল সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অলিউর রহমান, চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি সান্টু হালদার ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ঢালী।
স্থানীয় প্রায় ১ হাজার নারী-পুরুষ এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। উত্তাল এ বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের কৃত মিথ্যা মামলা এবং দল থেকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহবান জানান। তাছাড়া ভক্তরা আরো বলেন, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে দুর্দিনে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে মামলা হামলার শিকার হয়েছে অ্যাডভোকেট এনায়েত হোসেন বাচ্চু আজ তাদেরকে ধারাবাহিকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা শুরু করেছে, আর তার ভাই কাজী ফিরোজ আলম এর মতোন যারা আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে বিগত দিনে রাজনীতি করেছে বাচ্চু আজ তাদেরকে দলে স্থান দিচ্ছে। এ্যাড.বাচ্চু নিজেও গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের দ্বারা কোন হামলা মামলা শিকার হয়নি। বাচ্চুর পরিবার আতাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে বলেই সদর উপজেলার অনেক নেতা নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি ও তার ভাই মায়ের কোলে থেকে ঘুমিয়ে রাজনীতি করেছেন। বাচ্চুর বিরুদ্ধে আজ এ সত্য কথা বলতে গেলেই তাকে হামলা মামলা বহিষ্কারের শিকার হতে হচ্ছে।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এডভোকেট এনায়েত হোসেন বাচ্চু ও তার ভাইকে বহিষ্কারের মধ্যে দিয়ে বরিশাল সদর উপজেলায় সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি ফিরিয়ে দিতে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতিও আহবান জানান বক্তারা।
Leave a Reply