
নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের পশুড়িকাঠী মৌজায় বৈধভাবে লিজ নেওয়া কৃষিজমিকে সরকারি খাসজমি দাবি করে স্থানীয় কৃষক নেতা মো. রুবেল হাওলাদারকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যবিকৃতির মাধ্যমে একজন জনপ্রিয় স্থানীয় নেতাকে হয়রানির অপচেষ্টা। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়ীয়া, লামছড়ী, গিলাতলী ও পশুড়িকাঠী মৌজায় সরকারি নদী, খাল ও খাসজমি দখল করে প্রভাবশালী এক সিন্ডিকেট অবৈধভাবে ভাড়া দিচ্ছে। প্রতিবেদনে স্থানীয় সদর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রুবেল হাওলাদারের নামও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কিন্তু অনুসন্ধান করে জানা যায়, রুবেল হাওলাদার পশুড়িকাঠী মৌজার প্রায় ২০৪ শতক জমি স্থানীয় জিমি ও সালাহউদ্দিনসহ ৫/৬ জন ওয়ারিশের কাছ থেকে এক বছরের জন্য বৈধভাবে চুক্তিভিত্তিক লিজ নিয়েছেন। তিনি ওই জমিতে তরমুজ, শাকসবজি ও মৌসুমি ফসল চাষ করবেন।
কৃষি উন্নয়নে উদ্যোগী রুবেল হাওলাদার
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুবেল হাওলাদার বহুদিন ধরে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনি নিজ উদ্যোগে জমি লিজ নিয়ে কৃষিকাজ পরিচালনা করার উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এলাকার বেশ কয়েকজন যুবককে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। কৃষিকাজের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
রুবেল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন,
আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। আমি কোনো সরকারি বা খাসজমি দখল করিনি। স্থানীয় ওয়ারিশদের কাছ থেকে বৈধভাবে লিজ নিয়ে কৃষিকাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় ও হয়রানি করার জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানোয় ক্ষোভ স্থানীয়দের
এলাকার সাধারণ কৃষক ও সচেতন নাগরিকদের অনেকে বলেছেন, রুবেল একজন পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। তিনি নিয়মিত কৃষিকাজের মাধ্যমে পরিবারের পাশাপাশি এলাকারও উপকারে উদ্যোগী হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ আমাদের বিস্মিত করেছে।
তথ্য যাচাইয়ের দাবি
এ ঘটনায় সচেতন মহল ও স্থানীয় কৃষক সমাজ প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, একজন সৎ ও পরিশ্রমী ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত করার এই অপচেষ্টা বন্ধ হওয়া উচিত।
Leave a Reply