1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফারহান আরিয়ান ল’ ফার্মকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মহিউদ্দিন খান মঈনকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, সম্মাননা পেলেন বিশিষ্টজনেরা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় ফারহান আরিয়ান, এসকোয়ার বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা

হাইকোর্টে ক্ষমা চাইলেন রাজউক চেয়ারম্যান

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩
  • ২৫২ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক // আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন না করার ঘটনায় হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিচারপতি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান (এমএইচ) তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে হাজির হয়ে তিনি এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার নুরুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন না করায় গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রাজউক চেয়ারম্যানকে তলব করেন। তাকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

তলবের আদেশটি বিশেষ বার্তার মাধ্যমে রাজউক চেয়ারম্যানকে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাজউক চেয়ারম্যান।

ওই দিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গোলাম রসুল। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার নুরুল আজিম। আর রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কেএম মাসুদ রুমি।

ব্যারিস্টার নুরুল আজিম বলেন, ২০০৪ সালেরও আগে ফরিদা বেগম নামে এক নারী রাজউক থেকে নিকুঞ্জ এলাকায় প্লট বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেন। পরে তিনি তার নামে নেয়া প্লটটি (নিকুঞ্জ আবাসিক মডেল টাউন ফারুক সরণি প্লট নম্বর ১৯) অপর একজনের নামে (খালেদ মাহমুদ) হস্তান্তর (বিক্রি) করেন।

এর পর খালেদ মাহমুদ সব নিয়ম মেনে রাজউকের সমুদয় পাওনা পরিশোধ করেন। ওই সময় একটি চিঠি দিয়ে ১১ জনের প্লট বরাদ্দ বাতিল করে রাজউক। বাতিল ১১ প্লটের মধ্যে খালেদ মাহমুদের প্লটটি ছিল। এর পর রাজউকের প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদ মাহমুদ। রিটের শুনানি নিয়ে ২০০৪ সালের ৩০ মার্চ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ প্লট বরাদ্দ বাতিলের বিষয়ে রাজউকের দেয়া চিঠির সিদ্ধান্ত ও কার্যকারিতা স্থগিত করেন। রুলও জারি করেন আদালত।

ওই রুলের শুনানিতে ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজউক চেয়ারম্যানকে প্লট বরাদ্দ বাতিল সংক্রান্ত চিঠির নথির বিষয়ে প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

আদালতের ওই আদেশ প্রতিপালন না করায় রাজউক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে আবারও আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রাজউক চেয়ারম্যানকে তলব করে আদেশ দেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ