1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

‘বরিশাল-পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতি’র ইতিবাচক কার্যধারাকে ব্যহতে অপচেষ্টা !

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৫ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার পতনের পর নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ে ’ বরিশাল-পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতি। কার্যক্রম পরিচালনায়ও স্থবিরতা দেখা দেয়। সমিতির কার্যকরী পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ অধিকাংশ আওয়ামী লীগ ঘড়ানার হওয়ায় সরকারের পদত্যাগের পরপরই মালিক সমিতিতে আসা বন্ধ করে দেন। যোগাযোগ করেও তাদের আর পাওয়া যায়নি।

আর এতে সংগঠনের কার্যক্রম সংকুচিত হতে থাকে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যাত্রী সেবা ও সার্বিক শৃঙ্খলায়। এ-মুহুর্তে সমিতির সব সদস্যদের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শৃঙ্খলা ফেরাতে গঠিত হয় ৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি।

আর সর্ব সম্মতিক্রমে বাস মালিকদের জোড়ালো দাবিতে একপর্যায়ে নব-গঠিত ঐ কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিতে হয় নগর বিএনপি’র সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার-কে। কমিটি গঠন পরবর্তী তার নেতৃত্বে সু-সংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে বাস মালিক সমিতি। আহবায়ক পদে দায়িত্ব নিয়ে শুধু মালিক সমিতি ও যাত্রী সেবার মানোন্নয়নেই ভুমিকা রাখেননি তিনি, চাঁদামুক্ত করেছেন পুরো রুপাতলী এলাকা।

নানামুখি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে সাধারন মানুষের প্রসংশা কুড়িয়েছেন জিয়া উদ্দিন সিকদার। যার মধ্যে বন্যাদূর্গতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান পাঠানো, হাট-বাজার চাঁদাবাজমুক্ত করা, কোটা আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া সম্পূর্ন ফ্রি করাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন এই নেতা। যদিও তার এসব ইতিবাচক কর্মকান্ডে প্রতিহিংসা প্রবণ হয়ে ওঠছে একটি অসাধু মহল। যাদের ইন্ধনে তার ইতিবাচক কর্মধারাকে ব্যহতে নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নানা মহলে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আর এতে উপকারভোগী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তাদের দাবি, বরিশাল-পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও তার আশাপাশ এলাকা ইতিপুর্বে দখলদার, চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। হাট-বাজার, অবৈধ স্ট্যান্ড ও মালিক সমিতির নামে দৈনিক বিপুল পরিমাণে চাঁদা উত্তোলন করা হতো। যার মদদে ছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। উত্তোলিত চাঁদার ভাগ পেত শীর্ষ মহল পর্যন্ত। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরপর পরিবর্তন হতে থাকে প্রেক্ষাপট। ধীরে ধীরে চাঁদাবাজরাও উধাও হতে থাকে। আওয়ামী লীগের নেতাদেরও অঞ্চলে আর দেখা যায়নি। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতারাও মালিক সমিতিতে আসা বন্ধ করে দেন। কার্যক্রম পরিচালনার কথা বিবেচনায় বাস মালিক সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় আহয়াবক কমিটি। তারা প্রথমেই দায়িত্ব গ্রহণ করে ছোট-বড় সব ধরণের পরিবহন থেকে সব ধরণের চাঁদা আদায় বন্ধ ঘোষণা করে দেন। একটি মহল এতে ফায়দা ও স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে পড়ে।

যার ধরূন জিয়াউদ্দিন সিকদার মালিক সমিতির দায়িত্ব নেয়ার পর ঐ মহলটি তার বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করতে থাকে। সম্প্রতি ঐ সমিতি দখলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একাট্টা বলে তথ্য উপস্থাপিত হয়। সেখানে সমিতির নবগঠিত কমিটিতে আওয়ামী লীগের তিনজন নেতা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

যদিও ঐ সংবাদের উপস্থাপিত তথ্যে নির্দিস্ট করে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ-নিয়ে সাধারণ বাস মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ বছর পর মালিক সমিতি চাঁদামুক্ত ভাবে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যার নেতৃত্বে নবগঠিত আহবায়ক কমিটি। এটি একটি ব্যবসায়িক সমিতি। এখানে ব্যবসায়ীরাই স্থান পেয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলের কোন সদস্য এই সমিতিতে আসেননি। এমনকি দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দও পলাতক রয়েছেন।

যার জন্য কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিলে আমরা সব বাস মালিক মিলে সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জিয়াউদ্দিন সিকদারকে আহবায়কের প্রস্তাব দিলে সেটি গ্রহণযোগ্য হয়। আর তিনি এ সমিতির একজন প্রবীণ সদস্যও।

এখানে দখলেরও কোন বিষয় নেই। আমরা যাত্রী সেবার মনোন্নয়ন, শ্রমিকদের উন্নয়ন ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় এই তিনটি বিষয়ে ইতিবাচক ধারায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মাধ্যমে মনোনিবেশ করছি।

দখল নয় , সকলের সম্মতিক্রমে শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নির্দিস্ট করে আরোপিত স্ব-দায়িত্ব সকলে পালন করে যাচ্ছে। অপ-প্রচারকারীদের অনুরোধ করবো সরেজমিনে না এসে কোন তথ্য উপস্থাপন না করুন। এদিকে নগর বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধকরণের মধ্য দিয়ে বিএনপিকে চাঙ্গা ও সব দলীয় কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে পালনেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার। বিগত দিনে তিনি অন্দোলন সংগ্রামে দলে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ক্লিন ইমেজের নেতা।

গত ১৯ জুলাই আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর দাড়ালো অস্ত্রের কোপে জখম হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ২৫ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে ৫ আগস্ট মুক্তি পান তিনি। সম্প্রতি দলকে এগিয়ে নিতে নানামুখি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে সাধারন মানুষের প্রসংশা কুড়িয়েছেন জিয়া উদ্দিন সিকদার। এদিকে গত ১৫ বছর বাস টার্মিনালগুলো নিয়ন্ত্রণকারীরা একচেটিয়া চাঁদাবাজি করে এই খাতের সুনাম নষ্ট করেছে।

জিয়া উদ্দিন সিকদার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে টার্মিনালকে চাঁদাবাজ মুক্ত ঘোষণা করে বলেন- এখানে কেউ চাঁদা উত্তোলন করতে পারবে না, কেউ দিবেও না। আগে দেয়া চাঁদা এখন দিতে হবে না। সেই অর্থ এখন থেকে আমরা দেশ বিনির্মাণে ব্যয় করবো। শিক্ষার্থী নেতৃবৃন্দর সুপারিশে গত আন্দোলন-সংগ্রামে আহতদের বিনা ভাড়ায় স্ব-সম্মানে পরিবহণ করা হবে। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রী, আমাদের ভাই-বোন কিংবা সন্তান যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন তাদের মধ্যে অনেকে শহিদ হয়েছেন। তাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা আবার স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছি। আর তাদের সম্মানে আমরা শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশ ভাড়া সৌজন্য করে দিয়েছি।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও বরিশাল-পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহবায়ক জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, বাস মালিক সমিতি হচ্ছে একটি ব্যবসায়িক সমিতি। ব্যবসা পরিচালনার জন্য কাঠামোগত প্রক্রিয়া সবসময়ে সচল রাখতে হয়। কিন্তু আগের কমিটির লোকজন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর কেউ আসছিল না। মালিকরা অনেকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। তারা বলেছেন, তারা আসতে পারবেন না।

এজন্য সাধারণ সভা করে আমাকে আহবায়ক করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন- আমার ক্ষমতার লোভ নেই। আমি সকলের অনুরোধে ও পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কমিটিতে পদ গ্রহণ করেছি। এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। ভালো কাজ করলে সমালোচনা হবেই।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ