প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ৪, ২০২৬, ৮:৩৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ২, ২০২৬, ৪:০৬ এ.এম
পটুয়াখালী-ঢাকা নৌরুটে ডুবোচরে আটকে যাচ্ছে লঞ্চ, সমাধান কবে?

পটুয়াখালী-ঢাকা নৌ রুটে লাউকাঠি, লোহালিয়া, কারখানা ও কবাই নদ-নদীতে ডুবোচরে প্রায়ই আটকে পড়ছে লঞ্চ। দীর্ঘদিন ধরে নদী খনন চললেও নদীর নাব্যতা ফিরে আসেনি। বর্তমানে বন্ধ রয়েছে নদীতে খনন কাজ। এ অবস্থায় ভাটার সময় ঝুঁকি নিয়ে চলছে লঞ্চ।
শীত মৌসুমের শুরুতে পটুয়াখালীর নদ-নদীর পানি কমে যাওয়ায় নাব্যতা-সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। নাব্যতা ফেরাতে প্রতিবছর নদীতে খননকাজ চললেও তা তেমন কাজে আসছে না। এ অবস্থায় ঢাকা-পটুয়াখালী নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ভাটার সময় প্রতিদিনই ডুবোচরে আটকে পড়ছে এতে ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল। নদীতে ২ মিটার গভীরতা থাকলেও নৌযান চলাচল করতে পারে। কিন্তু ভাটার সময় অনেক স্থানে দেড় মিটার গভীরতা পাওয়া যায়।
পটুয়াখালী নদীবন্দর সূত্র জানায়, পটুয়াখালী-ঢাকা নৌপথে মোট ১২টি দ্বিতল লঞ্চ চলাচল করে। এই লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে যাওয়ার পরপরই পটুয়াখালী নদীবন্দর প্রবেশমুখে লাউকাঠি নদীর ডুবোচরে লঞ্চগুলো বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এরপর লোহালিয়া, কারখানা, কবাই নদ-নদীর ডুবোচরে প্রায়ই আটকে পড়ছে লঞ্চগুলো। এ সময় গন্তব্যে পৌঁছাতে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয় লঞ্চগুলোকে।
দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষের সল্প খরচে যাতায়াতের একমাত্র বাহন লঞ্চ। প্রতিদিন পটুয়াখালী থেকে লঞ্চ যোগে কয়েক হাজার মানুষ বিভিন্ন কাজে রাজধানী ঢাকায় যায়। কিন্তু শীত মৌসুমসহ বিভিন্ন সময় এই রুটের বিভিন্ন নৌপথের নাব্যতা সংকটের কারনে ডুবচরে লঞ্চ আটকে যায়। তাই দ্রুত নদী খনন করে নাব্যতা-সংকটের সমাধান করার দাবি স্থানীয়দের।
পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক বন্দর কর্মকর্তা মো. জাকী শাহারিয়ার বলেন, ঢাকা-পটুয়াখালী নৌ রুটে ডুবচরের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে গতকাল রোববার (১ মার্চ) দুপুরে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলতাব হোসেন চৌধুরী নদী বন্দরের নাব্যতা পরিদর্শন করে নদীতে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এ জন্য তিনি সুন্দরভাবে নদীতে ড্রেজিং করার নির্দেশনা দেন।
জেলার অভ্যন্তরীণ ১৭টি রুটে প্রতিদিন ৩০টি ছোট এবং ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে ১২টি বড় দোতলা লঞ্চ চলাচল করে।
Copyright © 2026 Bangladesh Crime News ।। বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ. All rights reserved.