
তিনি বলেন, দলটির ঘোষিত ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে, তা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার থেকেই এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। ইশতেহারে নাগরিকের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ১২ দফা বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে।
ইসলামী আন্দোলন ঘোষিত বিশেষ কর্মসূচিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান, প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন একবেলা করে পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা এবং ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ প্রদান। এছাড়া সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকার্ড চালু করা হবে। একই সঙ্গে ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও কৃষকদের বিভিন্ন সেবা সহজলভ্য করতে কৃষিকার্ড চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়।
অন্যান্য দফার মধ্যে রয়েছে- দেশে ও বিদেশে চাকরি অনুসন্ধান, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা সংবলিত ন্যাশনাল জব পোর্টাল চালু, কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন, ঢাকাসহ সব নগরে সরকার নিয়ন্ত্রিত ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক বাস ব্যবস্থাপনা চালু এবং সেবাকেন্দ্রিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তন।
এ ছাড়া সব নাগরিকের জন্য নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করা, নারী পোশাক শ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং কওমি সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামদের পদায়নের প্রতিশ্রুতিও ইশতেহারে উল্লেখ করেছে ইসলামী আন্দোলন।