সাংগঠনিক দুরদর্শীতা, সাহসীকতা ও আওয়ামী সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের অধিক সময় ধরে হামলা ও হয়রানীমুলক একাধিক মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করে নিষ্পেষিত হয়েছেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার। এসবের মধ্যে থেকেও ঝুকিপুর্ণ রাজনীতি জেনেও মাঠ ছাড়েননি জিয়া। স্বৈরাচারি আওয়ামী সরকার হটাতে দলের নানাবিধ কঠোর কর্মসুচী বিফল হলেও বিমুখ হননি জিয়াউদ্দিন। আশার আলো নিভু নিভু জেনে অনেক নেতাকর্মী রাজনীতির মাঠ থেকে আত্নকেন্দ্রীক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ফিরলেও দলের প্রতি গভীর ভালবাসা ও আস্থা থেকে বিচলিত হননি নগর বিএনপি’র এ ত্যাগী নেতা । ভয়কে সাহসে পরিণত করে নতুন সুর্য উদয়ের অপেক্ষায় নিজের বুদ্ধিমত্তা ও নৈতিকতার পরিচয় দিয়ে ক্রান্তিলগ্নে টিকিয়ে রেখেছেন বিএনপি’কে।
তারা আরও জানান, গত বছরের মাঝামাঝি দিকে দলের গভীর ক্রান্তিলগ্নে যখন একাধিক নেতাকর্মী নানাধরণের হয়রানীর শিকার হয়ে হাল ছেড়ে দিয়ে রাজনীতি থেকে গুটিয়ে পড়েছিলেন ঠিক তখনই আরও সক্রিয়তার পরিচয় দেন জিয়াউদ্দিন সিকদার।
লড়ে যান স্বৈরাচারি আওয়ামী লীগের সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষের দাবি আদায় ও দেশে গণতান্ত্রিক সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরাতে কেন্দ্র ঘোষিত দিক-নির্দেশনার অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেন তিনি। জীবন ঝুকি, মামলা ও কারাবরণের ভয়কে ছুতে পারেনি তাকে। দলের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তত রয়েছেন এ নেতা । যার প্রমাণ দিয়েছেন চলতি বছরের আগস্ট মাসের প্রথম দিকে বরিশাল নগরীর চৌমাথা এলাকায় স্বৈরাচারি আওয়ামী লীগের হামলায়। স্বৈরাচারি আওয়ামী লীগ হটাতে যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ উত্তপ্ত ছিল। এ মুহুর্তে ছাত্র আন্দোলন প্রতিহতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ। আর আন্দোলন সফলে প্রাণপন সহযোগীতা করে বিএনপি।
ঐ সময়ে চৌমাথা এলাকায় নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নেতৃত্বে বিএনপি’র ওপর হামলা ও রক্তপাতের নৃশংস ঘটনার স্বাক্ষী হয় পুরো বরিশালবাসী। সংঘাতে গুরুত্বর আহত হন নগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলি ও অস্ত্রের আঘাতে জিয়া সিকদারের শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষত-বিক্ষত হয়।
নেতাকর্মীরা জানান, আহতের অবস্থা এতটাই গুরুত্বর ছিল অনেকের ধারণা ছিল প্রাণহানীর। কিন্ত দীর্ঘ চিকিৎসায় বেঁচে ফিরলেও উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই দায়ের হয় মিথ্যা মামলা । আর এতে গুরুত্বর অসুস্থবস্থায় গ্রেফতার করা হয় জিয়াউদ্দিনকে। পরবর্তীতে স্বৈরাচারি সরকার বিদায়ে কারামুক্ত হন তিনি।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ এনে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য অনলাইন গণমাধ্যমে উপস্থাপিত হয় বলে জানান নগর বিএনপি’র কর্মীরা। তারা জানান, জিয়াউদ্দিন সিকদার একজন কর্মীবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব। তিনি সদস্য সচিবের পদে আসীনের পর থেকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া কোন আওয়ামী দোসরদের প্রশ্রয়তো দুরের কথা তাদের বিরুদ্ধে নিজেও মামলা দায়ের করেছেন। কতিপয় অসাধুরা ফায়দা লুটতে ব্যর্থ হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন মাধ্যমে ক্লীন ইমেজের নেতার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে।