নিজস্ব প্রতিবেদক
সংযম ও ত্যাগের মাসে বরিশাল নগরীর প্রতিটি অলিগলি থেকে শুরু করে হাট-বাজারে জমে উঠছে ইফতার আয়োজন। প্রতিদিন বিকাল চারটার পর থেকেই নামীদামী ইফতার পণ্যের দোকানগুলোর পাশাপাশি ফুটপাতের ইফতারের দোকানগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
তবে এবারেও বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ নগরীর রুপাতলীর 'খাবার বাড়ি রেস্ট্রুরেন্ট' এ সুলভ মুল্যে বিক্রি হচ্ছে ইফতার সামগ্রী।
রোজা শুরুর প্রথম দিন থেকেই বিকেল ৪ টা থেকে অত্যন্ত মুখরোচক ইফতারসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানটিতে। নগরীর নামিদামি রেস্তোরার মধ্যে প্রাণকেন্দ্র রুপাতলীর এই রেস্তোরাটি অন্যতম। প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও ভোক্তা পর্যায়ে আস্থা ও স্বস্তি ফেরাতে সেবার মানকে গুরুত্ব দিয়ে ইফতার সামগ্রী বিক্রিতে ইতিবাচক অবস্থানকে ধরে রেখেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য বিলাসবহুল রেস্তোরাঁর চেয়ে তুলনামূলক এ প্রতিষ্ঠানটিতে ইফতার বিক্রি হচ্ছে একদম সুলভ মুল্যে।
মুলত ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম অক্ষুন্নে প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও এমন ইতিবাচক ধারা বজায় রেখেছে রেস্তোরাঁটি।
এবারেও প্রতিষ্ঠানটিতে অনেকটা উৎসবমুখর পরিবেশে বিক্রি হচ্ছে ইফতার সামগ্রী । রেস্তোরাঁর সামনে বাহারি নকশায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে ইফতার বিক্রির জন্য অস্থায়ী ভাবে ইফতার বাজার নামে আলাদা স্টল। যেখানে ছোলা, বুট, মুড়ি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, ডিম চপ, দই বড়া, ডাবলির ঘুঘনি, মিষ্টি, শাহী হালিম, গরু-মুরগি-খাসির হালিম, কাবাব, সবজি পাকোড়া, মাংসের চপের পাশাপাশি মুখরোচক নানা ইফতার পণ্যের পসরা সাজিয়ে বিক্রি হচ্ছে।
আর অন্যান্য রেস্তোরাঁর থেকে দামেও তুলনামূলক কম হওয়ায় ভোক্তারাও 'খাবার বাড়ি' মুখী হচ্ছেন।
ইফতার সামগ্রী ক্রয় করতে এসে কয়েকজন ভোক্তা জানান, প্রতিবছর 'খাবার বাড়ি' থেকেই ইফতার সামগ্রী ক্রয় করছি। এখানে একদিকে মুখরোচক সব খাবার বিক্রি হচ্ছে আর অন্যদিকে দামও অন্যান্য রেস্তোরাঁর থেকে কম। এছাড়াও প্রত্যেকটি পণ্যই স্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয়।
এদিকে খাবার বাড়ি রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানান, পবিত্র মাহে রমযান সংযম ও ত্যাগের মাস। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সব খাদ্য সামগ্রীতে তুলনামূলক নির্ধারিত কম মুল্য রাখা হয়। এছাড়া পবিত্র রমযান মাস ঘিরে সেবার মানকে অক্ষুন্ন রাখতে আমরা সুলভ মুল্যে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করছি। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ও সেবার মানকে গুরুত্ব দিয়েই প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও আমাদের এই ইতিবাচক উদ্যোগ।
তারা আরও জানান, ইফতার সামগ্রী বেচা-কেনা ভালো হচ্ছে। ইফতারিতে এখানে অন্যান্য সামগ্রীর পাশাপাশি কাচ্চি বিরিয়ানি, মোরগ পোলাও, মুরগি মোসাল্লাম, খাসির রান রোস্ট,চিকেন বারবিকিউ, বোরহানি, ফিরনি, হালিম, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, চিকেন কাবাব, চিকেন পুলিসহ বিভিন্ন আইটেমও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ইফতারির জন্য বুকিংও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।