নিজস্ব প্রতিবেদক // ঢাকা প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল ১ এ যুব উন্নয়নের এটি মামলা নং-৪৮৩/২১,নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
বিরোধী পক্ষের ঢাকা প্রশাসনিক আপীল ট্রাইবুনাল,এড, স্বপন কুমার আইচ জানান, সাম্প্রতিক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯০ জন কর্মকর্তার বেনামে অর্থাৎ স্বাক্ষর বিহীন ও ওকালতনামা ব্যতীত এক রায় হাসিলের বিষয় উদ্ঘটিত হইয়াছে। ঢাকাস্থ বিজ্ঞ প্রশাসনিক আপীল ট্রাইবুনালের এ এটি ৩৩৫ / ২০২২ নম্বর মোকদ্দমাটি গত ০২-০৮-২০২৩ খ্রি: তারিখে শুনানীকালিন দেখা যায় যে- মূল এ. টি. মোকদ্দমাটির আরজী এবং ওকালতনামা বিধি মোতাবেক আদৌ কোন প্রার্থী সম্পাদন বা স্বাক্ষর করেন নাই। অথচ বিচারালয়ে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি এড়িয়ে দ্রুত মোকদ্দমাটি মঞ্জুর হইয়াছে।
একারনেই মোকদ্দমাটিকে গায়েবী মোকদ্দমা হিসাবে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অপরপক্ষ আপীল দায়ের করিয়াছেন। আপীলকারী পক্ষের এডভোকেট স্বপন কুমার আইচ নিম্ন বিচারালয় সংশ্লিষ্টদের চরম অবহেলা এবং নেপথ্য সুবিধাভোগীচক্র সহ প্লিডারের কপটতা এবং পেশাগত অবক্ষয়ের অভিযোগ উত্থাপন করেন।
কর্মক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের এক বিশেষ সাংবিধানিক বিচারালয় হচ্ছে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিধিমালার বিধান অনুযায়ী স্বয়ং দরখাস্তকারী কর্তৃক সহি সম্পাদিত আবেদন (আরজী) এবং সিভিল রুলস এন্ড অর্ডার এবং সিপিসির বিধান মোতাবেক শুদ্ধভাবে সম্পাদিত ও গ্রহনকৃত ওকালতনামা সহকারে বিজ্ঞ আইনজীবিগন এখানে মোকদ্দমা পরিচালনা করিয়া থাকেন।
বাদী পক্ষের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ( অব:) স্বপন কুমার বেপারি বলেন, মামলাটি যখন করা হয়েছে আমি তখন যুব উন্নয়নে কর্মরত ছিলাম কিন্তু আমি কোন মামলা করিনি কিন্তু আমি বাদীপক্ষ হিসেবে নোটিশ পেয়ে জানতে পারি ওই মামলায় আমাকে বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কিন্তু আমি কোন ওখলাত নামায় স্বাক্ষর দেইনি এবং মামলাটি বিষয়ে আমার কিছু জানাও নেই ।