
বায়ু দূষণের তালিকায় ঢাকার পরই আছে পাকিস্তানের শহর লাহোর (১৮৬)। তৃতীয় স্থানে ভারতের দিল্লি (১৮৩), চতুর্থ স্থানে ভারতের আরেক শহর মুম্বাই (১৭৪) এবং পঞ্চম স্থানে পোল্যান্ডের শহর ক্রাকোও (১৭৪)।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর। আর ৩০১ এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
এ অবস্থায় বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে। ফলে শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন দূষিত বাতাসে শ্বাস নেন এবং বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর প্রধানত নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে।
উল্লেখ্য, পুরো শীতকালজুড়ে অধিকাংশ সময়ই রাজধানী ঢাকা শীর্ষ পাঁচ দূষিত শহরের তালিকায় ছিল। মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে বায়ুদূষণে। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। নির্মাণকাজ, রাস্তার ধুলা ও অন্যান্য উৎস থেকে দূষিত কণার ব্যাপক নিঃসরণের কারণে ঢাকা শহরের বাতাসের গুণমান দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে। তবে বর্ষাকালে বায়ুর মানে কিছুটা উন্নতি হয়।