1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

মন ভালো রাখতে যে আমল করবেন

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৯০ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
মানুষের মন সদা পরিবর্তনশীল। এই ভালো তো এই মন খারপ। ফুরফুরে মেজাজ থেকে হঠাৎ মুখ গোমরা। দুশ্চিন্তা, হতাশা ঘিরে ধরে, মন অস্থির হয়ে উঠে।

হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জেনে রাখো, শরীরের মধ্যে একটি গোশতের টুকরা (মুদগা) আছে, তা যখন ঠিক হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন ঠিক হয়ে যায়। আর তা যখন খারাপ হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন খারাপ হয়ে যায়। জেনে রাখো, সে গোশতের টুকরাটি হলো কলব।’ -(বুখারি, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯-৪০)

অর্থাৎ মানুষের মন ঠিক থাকলে পুরো দেহ ঠিক হয়ে যায়। কারণ অন্তর হচ্ছে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চালিকা শক্তি। অন্তর ঠিক না থাকলে গোটা দেহ অকেজো হয়ে যায়। তখন সে ভালো জিনিস উপলব্ধি করার বোধ শক্তি হারিয়ে ফেলে। সব কিছু ছেড়ে চলে যেতে চায়।

অথচ অস্তিরচিত্ত ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হওয়া উচিত। দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত থাকতে কোরআন-হাদিসে শান্ত্বনা খুঁজে নেওয়া উচিত।

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে,

‘তিনি মুমিনদের অন্তরসমূহ সুস্থ করে দেন। -(সুরা তাওবা : ১৪) আরো বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি কোরআনে এমন বিষয় নাজিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। -(সুরা বনি ইসরাঈল : ৮২)

অন্তরকে স্থির রাখতে মানুষের উচিত নিজেকে গুনাহ মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব দোয়া ও আমলের কথা বলেছেন তা পালন করা।ক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, আমি এমন একটি দোয়া সম্পর্কে অবগত আছি— কোনো বিপদগ্রস্ত লোক তা পাঠ করলে, আল্লাহ তাআলা তার সেই বিপদ দূর করে দেন। সেটি হচ্ছে আমার ভাই ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। দোয়াটি হলো—

لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ، إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জ্বালিমিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিঃসন্দেহে আমি নিজের প্রতি অবিচার করেছি।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫০৫)

রাসুল (সা.) চিন্তা ও পেরেশানির সময় একটি বিশেষ দোয়া পড়তেন। দোয়াটি হলো—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الهَمِّ وَالحَزَنِ، وَالعَجزِ وَالكَسَلِ، وَالبُخلِ وَالجُبنِ، وَضَلَعِ الدَّينِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউজু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।’

অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে। আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় এই দোয়া পড়তেন। (বুখারি, হাদিস : ২৮৯৩)

 

রাসুল (সা.) এ বিষয়ে আরেকটি উপকারী দোয়া শিখিয়েছেন-

“‏اللهم مصرف القلوب صرف قلوبنا على طاعتك”

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা মুসররিফাল কুলুবি সররিফ ক্বুলুবানা আলা ত্ব-আতিক।’

অর্থ: ‘অন্তরগুলো পরিচালনাকারী হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরকে আপনার আনুগত্যের ওপর স্থির রাখুন।’

আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আদম সন্তানের অন্তরগুলো পরম দয়াময় (আল্লাহ তাআলা)-এর দুই আঙুলের মাঝে একটি মাত্র অন্তরের মতো। তিনি যেভাবে ইচ্ছা তা ওলটপালট করেন। এরপর রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়েন। (মুসলিম, হাদিস : ৬৫০৯)

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ