1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতা শাহীনকে দিয়ে চাঁদা তুলছেন চেয়ারম্যান খোকন মানবিক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের উদ্যোগে চক্ষু রোগীদের বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান বরিশাল গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিন পদে নিয়োগ উপজেলা নির্বাচনঃ মুলাদীতে চেয়ারম্যান পদে মানুষের আস্থা ‘তরিকুল হাসান খান মিঠু’ ঝালকাঠি উপজেলা নির্বাচন/ সহিংস নির্বাচনী পরিবেশ , নিরাপত্তাহীনতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কলাপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে জেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বাকেরগঞ্জে চেয়ারম্যান বাবুকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা ! ঝালকাঠিতে আন্ত:জেলা চোর চক্রের মাস্টারমাইন্ড গ্রেফতার বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কারিগরি শিক্ষা সপ্তাহ পালিত জনসেবায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছি- ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল

বরিশাল মুক্ত দিবসে শহীদদের স্মরণ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৭৯ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
বরিশাল প্রতিনিধি // আজ বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) বরিশাল মুক্ত দিবস। দিবসটি উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় ওয়াপদা কলোনীর নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমির স্মৃতি-৭১ স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক, সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ছাদেকুল আরেফিন।

 

এরপর পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান, ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন।

একই স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বরিশাল মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং সামাজিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাক বাহিনী অগ্রসরমান মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়ে এ শহর থেকে ডেরা গুটিয়ে পালিয়ে যায়। ৭ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা থেকে বরিশালে কারফিউ জারী করেছিল পাকবাহিনী। সীমান্তে মিত্র বাহিনী আক্রমণ শুরু করার পর ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই পাক সেনারা বরিশাল ত্যাগের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

বরিশাল শহর কেন্দ্রীক বিভিন্ন সড়ক পথ চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় হানাদাররা নৌ-পথে পালাবার পরিকল্পনা করে। এ উদ্দেশ্য যাত্রীবাহী স্টিমার ইরানী, কিউইসহ লঞ্চ ও কার্গো বরিশাল স্টিমার ঘাটে প্রস্তুত রাখা হয়। এসব নৌযানে করেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী, পাক মিলিশিয়াসহ শহরের দালাল ও রাজাকার কমান্ডাররা বরিশাল ত্যাগ করে। পাক সেনাবাহিনীর নৌযানগুলো একাংশ চাঁদপুরের কাছে মেঘনা মোহনায় ভারতীয় মিত্র বাহিনীর বিমান হামলার কবলে পড়ে এবং কিউই জাহাজসহ গানবোড ও কার্গো ধ্বংস হয়।

অপর অংশ বরিশালের কদমতলা নদীতে ভারতীয় বিমানের বোমার আঘাতে পাকবাহিনীসহ নৌযানগুলো নিমজ্জিত হয়। ফলে এসব জাহাজে পলায়নরত সকল পাক সেনা, মিলিশিয়া, রাজাকার কমান্ডার ও দালালরা নিহত হয়। পাক বাহিনীর শহর ত্যাগের খবরে ৮ মাস ধরে অবরুদ্ধ বরিশালের মুক্তিকামী মানুষ বিজয়ের আনন্দে শ্লোগান দিয়ে দলে দলে রাস্তায় নেমে আসে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ