1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলায় আসামি গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়সাল, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় শেখর বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ বাবার রেখে যাওয়া শেষ সম্বলের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যু আলী আজগরের থাবা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নলছিটিতে শ্রমিকদলের অবৈধ কমিটি প্রকাশের অভিযোগ শের-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সম্মানিত পরিচালক ইমন বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়ায় ঈছালে ছওয়াব মাহফিল, দোয়া-মোনাজাতে সমাপ্ত

ভাড়ায় ডেকে পিকআপ ছিনতাই, চালককে হত্যা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৩০ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক // রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে সাকিব (২০) নামে এক পিকআপ ড্রাইভারের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২। গ্রেপ্তারকৃতরা হ‌লেন- মো. নাইমুল হোসেন ওরফে সিয়াম(২২) ও মো. মিজানুর রহমান।

শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চা‌লি‌য়ে নাইমুলকে ও গত ২ ডিসেম্বর মিজানুর‌কে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক জানান, গত ৬ নভেম্বর রাজধানীর কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বুড়িগঙ্গা নদীর আটিবাজারগামী শাখা নদীর পাড় থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখ স্কচটেপ পেঁচানো অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ পিকআপ চালক সাকিবের বলে শনাক্ত করেন তার চাচা। এই ঘটনায় চাচা মো. জামাল (৩৭) অজ্ঞাতদের আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। র‌্যাব-২ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে হত্যায় জড়িত মো. মিজানুর রহমান নামে একজনকে গত ২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মিজানের দেয়া তথ্যে শনিবার রাতে হত্যা মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামি নাইমুলকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নাইমুল একটি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানিতে চাকরি করতেন। দুই মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। চাকরি চলে যাওয়ার কারণে তি‌নি বিভিন্ন জায়গায় চুরি ও ছিনতাইয়ের কাজ করতেন। এই ছিনতাইয়ের টাকায় তার সংসার চলছিলো না। তখন তি‌নি এবং বন্ধু মিজানুর রহমান মিলে পরিকল্পনা করে একটি গাড়ি ছিনতাই করে সেটি গ্রামে বিক্রি করে যে টাকা আসবে সেই টাকা দিয়ে তারা একটি ব্যবসা করবেন।

পরে তারা রায়ের বাজার যায় এবং একটি গাড়ি ভাড়া করে ৫০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে চলে আসেন। পরদিন তারা পরিকল্পনা মাফিক গাড়ির ড্রাইভার সাকিবকে মোবাইলে কল করে আরশি নগর আসতে বলেন। গাড়ির ড্রাইভার সাকিব সেখানে গেলে তারা বলে আমরা মুন্সীগঞ্জ যাবো। সাকিব মুন্সিগঞ্জ যেতে রাজি না হলে তারা তাদের রুমে ডেকে নিয়ে যায়।

রুমে নিয়ে যাওয়ার পর কথা কাটাকাটির একপর্যায় তারা সাকিবের হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং কালো স্কচটেপ দিয়ে তার মুখ ও মাথা পেঁচিয়ে ফেলে। এরপর রাত ১২ টার দিকে তারা নদীর দিকে নিয়ে গিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। প‌রে পিকআপ ড্রাইভার সাকিবের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজনের দেয়া তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তার নাইমুলকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ