1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ২১৬ 0 সংবাদ টি পড়েছেন
আশুগঞ্জ প্রতিনিধি // দেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। শনিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে এ বিদ্যুৎ যোগ হয়।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, শনিবার থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রে। যার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দারুণ এই অর্জনের সাথে যুক্ত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, কিছুদিনের মধ্যে আরও কয়েকটি প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ যুক্ত হতে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। শতভাগ বিদ্যুতের ফলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে যে অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে সেটাকে আরো গতিশীল করতে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গেল জুন মাসের শেষের দিকে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) নতুন নির্মিত চারশত মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট (ইস্ট) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। প্রথম দুইদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হলেও পর্যায়ক্রমে তা বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে গতকাল থেকে ফাইনালি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বর্তমানে এপিএসসিএলের চলমান ছয়টি ইউনিট থেকে দৈনিক ১ হাজার ২৯৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যে অধিক গ্যাস ব্যবহারকারী ছোট ইউনিটগুলোর পরিবর্তে বৃহৎ ইউনিট স্থাপনের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির সভায় কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট (ইস্ট) নামে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে এটির নির্মাণ কাজ পায় চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন এবং চায়না ন্যাশনাল কর্পোরেশন ফর ওভারসিজ ইকোনমিকস কো-অপারেশন কনস্ট্রাকশন। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ১৮০ দশমিক ৩২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ