1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  3. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

শ্রবণ সমস্যায় বেশি ভুগছেন রিকশাচালক ও ট্রাফিক পুলিশ: গবেষণা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৮২ 0 সংবাদ টি পড়েছেন

শব্দ দূষণ বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ সমস্যা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। পেশা বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি কানে শোনার সমস্যায় ভুগছেন রিকশাচালকরা। তাদের মধ্যে ৪১ দশমিক ৯ শতাংশের এ সমস্যা রয়েছে। এর পরেই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ভুগছেন ট্রাফিক পুলিশ- ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া লেগুনার চালকদের ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ ভুগছেন কানে শোনার সমস্যায়।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইয়েন্সের ‘বাংলাদেশের রাজপথে শব্দদূষণ এবং শব্দদূষণের কারণে রাজপথে কর্মরত পেশাজীবীদের শ্রবণ সমস্যা’ নিয়ে করা এক গবেষণায় এসব চিত্র উঠে এসেছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই গবেষণা করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইয়েন্সের ইব্রাহিম অডিটোরিয়ামে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন প্রধান গবেষক ড. সাইকা নিজাম।

গবেষণায় ৫টি সিটি করপোরেশনে (ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর, রাজশাহী, কুমিল্লা এবং সিলেট) শব্দদূষণের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। এসব এলাকায় রাজপথে কর্মরত ৬৪৭ জন পেশাজীবীর (ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্ট, বাসচালক ও হেলপার, পিকআপ চালক, সিএনজিচালক, লেগুনাচালক, দোকানদার, মোটরবাইকচালক, রিকশাচালক এবং সেডান/এসইউভি চালক) শ্রবণশক্তি পরিমাপ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, সিটি করপোরেশন বিবেচনায় কানে শোনার সমস্যা সবচেয়ে বেশি কুমিল্লায়, প্রায় ৫৫ শতাংশ। সিলেটে ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ, ঢাকায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ।

গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন প্রধান গবেষক ড. সাইকা নিজাম

সিটি করপোরেশনগুলোর রাজপথে শব্দের মাত্রা ছিল ৮৪ থেকে ৯৯ ডেসিবল, যা অনুমোদিত মাত্রার (৬০ ডেসিবল) চেয়ে অনেক বেশি। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি চারজনে একজন (২৫.৪%) কানে কম শোনার সমস্যায় ভুগছেন। এদের ৭ শতাংশেরই এই মুহূর্তে হিয়ারিং এইড ব্যবহার জরুরি।

এ সময় প্রতিকারে শব্দদূষণের উৎস এবং মাত্রা কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়াসহ বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। রাজপথে পেশাজীবীদের কর্মঘণ্টা কমানো, যেখানে প্রয়োজন সেখানে উপযুক্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা, রিকশাচালক ও ট্রাফিক পুলিশের প্রতি বিশেষ নজর, নিয়মিত শ্রবণ পরীক্ষার তাগিদ দেয়া হয়।

এসয় বক্তারা জানান, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৪৩২ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কানে শোনার সমস্যায় ভুগছেন যাদের চিকিৎসার পাশাপাশি হিয়ারিং এইড ব্যবহার করা প্রয়োজন। এদের ৮০ শতাংশই উন্নয়নশীল দেশে বসবাস করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ