1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
রোষানলে মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ আজাদী কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক বিক্রি, বাধা দিয়ে বিপাকে ছাত্রলীগ নেতা ঝালকাঠিতে খান সাইফুল্লাহ পনিরকে স্বাশিপের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা স্বামী ও সন্তানের মুক্তির দাবীতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন ভান্ডারিয়ায়  কিশোর গ্যাং’র উৎপাত, থানায় জিডি শোক সভা সফলে মহানগর ছাত্রলীগ নেতা সেজান মাহমুদ ইমরানের নেতৃত্বে বিশাল র‍্যালী ‘বাংলাদেশ বাণী’ পত্রিকায় মিরাজের যোগদান উজিরপুরে প্রতারণা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে সংখ্যালঘু পৌর কর্মচারীকে মারধরের ঘটনায় ২ দিনের কর্মবিরতি বরিশালে আ’লীগ নেতা সবুজের রুহের মাগফিরাত কামনায় তাসরিফুল হিকমাহ মাদ্রাসায় দোয়া

গৃহহীনদের ঘর দেয়া সবথেকে আনন্দের: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ২৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক // প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দেশের গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর উপহার দেয়াকে জীবনে সবথেকে আনন্দের দিন।

বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি ঘর উপহার দেয়া হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৪৭৪টি ঘর দেয়া হবে।

সম্পূরক প্রশ্নে ফখরুল ইমাম প্রধানমন্ত্রীকে তার আনন্দের স্মৃতি সংসদে বর্ণনা করতে অনুরোধ করেন।

স্বাধীনতার পরে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম তৈরির কাজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করেছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার স্বপ্ন ছিল দেশের কোনো মানুষ গৃহহীন, ভূমিহীন ও ঠিকানাবিহীন থাকবে না। এটা জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল।

জাতির পিতার লক্ষ্য পূরণ করাই আমার একমাত্র কাজ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার লক্ষ্য মানুষকে উন্নত জীবন দেয়া। ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকে ভূমিহীন মানুষদের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি এবং পুনর্বাসন করে যাচ্ছি। আমরা শুধু ঘর দিয়ে বসে থাকছি না, ঘর দেয়ার পরে তাদের অর্থ দিচ্ছি, প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আয়ের পথও করে দিচ্ছি। আমার জীবনে বোধহয় ১৫ আগস্টের পরে যে দুঃখ, কষ্ট, যাতনা ভোগ করতে হয়েছে, সেই দুঃখের মধ্য দিয়ে, বোঝা নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম বাবার স্বপ্ন পূরণে।

ঘর উপহার দেয়ার পরে নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এটা খুব ভালোভাবে মনিটরিং করেন। কার্যালয়ে সচিব ও কর্মকর্তারা প্রায় যাচ্ছেন, তারা কেমন আছেন, দেখছেন। দেখে আসার পরে যে ছবি আমাকে পাঠালো। ঘর পাওয়ার পরে মানুষের যে অনুভূতি, একটা ঠিকানা পেয়েছে, সেই আনন্দে যে কান্না। সেই হাসি, কান্না, বেদনা উপলব্ধি করে, সেদিন আমিও… একটা মানুষ, একটা পরিবার যার একটা ঠিকানা পেয়েছে। ঘর পাওয়ার পরে জীবনটা যে পাল্টে গেছে। অভাব, দারিদ্র্য নেই। নিজের জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, আমার জীবনে সবথেকে বড় আনন্দের দিন। একজন মানুষ, যার কিছু ছিল না, তাকে একটা ঘর দিয়ে তার মুখে হাসি ফুটাতে পেরেছি। এর থেকে বড় আনন্দের কিছু হতে পারে না। সেদিন আনন্দে চোখের পানি রাখতে পারিনি। আমি অঝোর ধারায় কেঁদেছিলাম। কারণ এটাইতো আমার বাবার স্বপ্ন ছিল।

এখন অনেকের ঘরে ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ নানান আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, একটা মানুষকে যে ঠিকানা দিতে পেরেছি, জীবনটাকে পাল্টে দিতে পারলাম, এরচেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে সংসদ গরম করা হলো, সেই জন্যই আমি যখন প্রশ্নগুলো (তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন) পেলাম, এটা এক নম্বরে নিয়ে আসলাম। ভাবলাম যে আজকে উত্তর দেব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বব্যাপী সমস্ত জিনিসের দাম বেড়েছে। তার প্রভাব আমাদের ওপর পড়েছে, এটা স্বাভাবিক। আর কিছু লোকতো আছেই, যারা সুযোগটা নেয়ার চেষ্টা করে। সেটা যাতে নিতে না পারে, তার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য (বিএনপির এমপি হারুন-অর রশীদ), তিনি আজকে নেই। থাকলে ভালো হতো। তিনি বললেন যে, খেজুর রিকশাওয়ালা কিনবে না। রিকশাওয়ালারা খেজুর খাবে না কেন? আমরা কিন্তু প্যাকেজে খেজুর সব জায়গায় দিচ্ছি না। কিছু ঢাকা শহরে রাখা হয়েছে, যেটা টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ