1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamun830@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

সাবের হোসেন বাবুর প্রতারণার গোপন তথ্য ফাঁস, বরিশাল আদালতে রয়েছে মামলাও

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২
  • ২৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // বরিশালে সাবের হোসেন বাবুর জমিতে একাধিক জাল নিলাম, টাকার মোকদ্দমা, ৯৩/৫১, ১৩৪/৫২, রাজাপুরের হেবানামা ০৯/০৯/৭১ তারিখের ১০৫৫ নং দলিল, মিস কেস ২৩/১৯৬৩ (৫৪ ধারা) জাল জালিযাতি ভাবে সৃষ্টির গোপন তথ্য ফাঁস।

বাবুর জালিযাতি ঘটনা ‍এর আগেও বরিশালের স্থানীয় অনলাইনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। এবার প্রকাশে ‍এলো গোপন তথ্য। জানা যায়, সাবের হোসেন বাবুর নামে বরিশাল বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জাল জালিয়াতির মোকদ্দমা সি.আর ১০৫৫/১৭ সি.আর ৭৪০/১৮, সি আর ২৬০/১৯ ও সি আর ১৯০/১৮ মামলাগুলি সি দায়ের হইয়াছে।

 

 

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বরিশাল পি.বি.আই সরেজমিনে তদন্ত শেষে টাকার মোকদ্দমা ৯৩/৫১, সৃষ্টি টাং ডিং ৬৫/৫৩, মোকদ্দমা ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল, মিস কেস ২৩/৬৩ (৫৪ ধারা) জাল জারিয়াতির ঘটনা সত্য বলে প্রমাণ হয়। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু জাল টাকার মোকদ্দমা, রাজাপুরের হেবানামা দলিলের বরাতে নিজ নামে হেবা ঘোষণা দলিল দিয়ে বিভিন্ন সময় ভূমি রেকর্ড করতঃ উক্ত সম্পত্তি মিস কেস ৭৬২/৬১, ১৫০ ধারা ৬৮ কেটি/২০০৮-০৯ (১৫০) ধারা কেসের আদেশে বাতিল হয়েছে। সাবেক হোসেন বাবু তাহার নামীয় বাতিলকৃত নামজারী খতিয়ান নং ১৫২৯৫, ১৭১২৩ বাতিল হইয়াছে। কিন্তু বিভিন্ন মোকদ্দমা ও অফিস আদালতে ব্যহার করে জমি দাবী করছে।

 

এই জমিতে তাহার কোন দখল স্বত্ব নাই ও বি.এস রেকর্ড নাই। ভূয়া মালিকানা দেখাইয়া প্রতরণা করে চলছে। উক্ত ভূয়া কাগজপত্র খাটি হিসাবে ব্যবহার করিয়া পেনাল কোড ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/ ৪২০ ধারার অপরাধ প্রাথমিক ভাবে সত্য বলিয়া প্রতিয়মান হয়। মামলাগুলি বিচারাধীন আছে। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু একজন জমি জমার জাল জালিয়াতিকারী, প্রতারক, মামলাবাজ, ভূমিদস্যু। জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মূল দলিল সৃষ্টি করে জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহারকারী।

 

তিনি একই জমিতে বিভিন্ন তারিখে তাহার অধুনামৃত দাতা আমজেত আলী নামে নিজ অর্থে ও স্বার্থে জাল জালিয়াতি ভাবে ভূয়া টাকার মোকদ্দমা সৃষ্টি করে যেমন- বিগত ইংরেজী ১২/০৭/৫৮ তারিখের রেজিষ্ট্রিকৃত ৩৭৩১ নং দলিলের দাতা- সৈয়দ আমজেত আলী মালিকানায় বর্ণনা করেন যে, তিনি মোকাম বরিশালের ২য় মুনসেফী আদালতে ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মিস কেসের সৃষ্টি ১৯৫৩ সনের ৬৫ নং মোকদ্দমার ডিক্রী জারী নিং তাং ১০/০৪/১৯৫৪ মূলে মালিক। সৈয়দ আমজেদ আলী টাকার মোকদ্দমার বরাতে আবার সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু দেওয়ানী ১৫/১০ নং মোকদ্দমার স্বাক্ষীর জবানবন্দীতে বলেন যে, বরিশাল ২য় মুনসেফী আদালতের ৯৩/১৯৫১ নং টাকার মোকদ্দমা হইতে ৬৫/৫৩ নং ডিক্রীজারী মূলে মালিক। তাহার দাদা সৈয়ত আমজেদ আলী।

 

 

তাহা হইলে একই ৬৫/১৯৫৩ সনের ডিক্রীজারী মোকদ্দমা ৯৩/৫১ নং টাকার মোকদ্দমা ও ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং টাকার মোকদ্দমা। মূল দুইটি মোকদ্দমায় একটি (৬৫/৫৩) ডিক্রি হইল কিভাবে, একই মালিকের নামে। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবু ঐ মোকদ্দমায় আরও বলেন যে, ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এস এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ ং দাহের হিং ।।. (আট) আনা অংশে ৮০ শতাশ জমি ৬৫/৫৩ নং ডিক্রি মূলে মালিক আমজেদ আলী।

 

আবার একই মালিক একই তফসিল সম্পত্তি আমজেদ আলীর সার্টিফিকেট কেস নং ২১৬৪ কেটি/৭৫-৭৬ মূলৈ এস এ ২৫৮ নং খতিয়ানে ৬৮৭৪ নং দাগের মোট ৮০ শতাংশ জমির ৫২/২৫ শতাংশ নিলাম খরিদ মূলে মালিক দাবি করেন। সৈয়দ সাবের হোসেন বাবুর পিতাও তাহার জীবদ্দশায় উক্তরূপ কর্মকান্ড করিয়া আসিতে থাকেন।

 

 

সাবের হোসেন বাবুও তাহার পিতার জাল জালিয়াতিমূলক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সম্পত্তি প্রতারণামূলক ভাবে আত্মসাত করার লক্ষ্যে, নানা প্রকার জাল জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তাহার মৃত দাদা আমজেদ আলীর নামে বরিশাল (২য় মুনসেফী) আদালতে ৯৩/১৯৫ নং টাকার মোকদ্দমা, ১৯৫২ সনের ১৩৪ নং মোকদ্দমা সৃষ্টি করে এই টাকার মোক্দ্দমার বরাতে রাজাপুর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের ০৯/০৯/১৯৭১ তারিখের ১০৫৫ নং হেবানামা দলিল সাবের হোসেন ও তার পিতার যোগসাজশে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করিয়া নামজারী রেকর্ড করেন। তাহর বরাতে নিজ নামে বিগত ইং ২৬/০৬/২০১১ তারিখের রেজিষ্ট্রিকৃত ৭৩১৮ নং হেবা ঘোষণা দলিল মূলে।

 

 

২০/০৬/২০১২ তারিখের রেজিষ্ট্রিকৃত ৮৭৭৭/১২ নং এবং ০৩/১০/২০১৩ তারিখের রেজিষ্ট্রিকৃত ১২৬৪ নং দলিল মূলে পিতার নিকট হইতে নিজ নামে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি দলিল ও কাগজপত্র ব্যবহার করিয়া মালিকানা দাবী করিয়া সম্পত্তি দাবী করিয়া বিক্রির পাঁয়তারা করিতেছে। তফসিল সম্পত্তির পরিচয় জেলা- বরিশাল, থানা- কোতয়ালী, মোতালক জে এল ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এস এ ২৩৭, ২৪০,২৪১,২৪২,২৫৮ নং খতিয়ানের এস এ ৬৮৭২, ৬৮৭৩, ৬৮৭৪ নং দাগের ৫০ শতাংশ অত্র দরখাস্তের প্রার্থীত ভূমি বটে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ